পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ: উপাধ্যক্ষ পদ অনুপস্থিত সত্ত্বেও সুবিধা ব্যবহার করছেন ডা. আতিকুর রহমান
পট য় খ ল ম ড ক – পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনুমোদিত কর্মকর্তা কাঠামোতে উপাধ্যক্ষ পদটি অবিদ্যমান। তবু একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে ডা. এ এফ এম আতিকুর রহমানকে ‘উপাধ্যক্ষ’ হিসেবে দায়িত্ব স্বীকার করা হয়েছে। কলেজ সূত্র প্রকাশ করেছে, এ সিদ্ধান্তে ডা. আতিক এখন সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত হয়েছেন। অধ্যক্ষের জন্য প্রতি মাসে সরকারি গাড়ি বরাদ্দ রয়েছে, তবে তিনি সেটি উপাধ্যক্ষের নামে ব্যবহার করছেন সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়া এবং অন্যান্য কাজে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধ্যক্ষের জন্য বৃত্তি হিসাবে প্রতি মাসে ১৮০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ থাকলেও গত কয়েক মাসে উপাধ্যক্ষের জন্য ৮৭৫ লিটার জ্বালানির বিল জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে জমা দেওয়া হয়। পরে অস্বাভাবিক ব্যয় সম্পর্কে আপত্তি জানিয়ে বিলটি ফেরত পাঠিয়ে হিসাব বিভাগ কর্তৃক প্রতিক্রিয়া হয়।
অভিযোগ ও জবাব প্রকাশ
“গাড়িটি আমার অনুকূলে বরাদ্দ হলেও বিভিন্ন সময় প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত কাজে উপাধ্যক্ষ এটি ব্যবহার করেন,”
বলেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মনিরুজ্জামান। তিনি দাবি করেন, নিজের সুবিধার্থে উপাধ্যক্ষ পদটি তৈরি করেছেন এবং ডা. আতিক প্রভাব খাটিয়ে পদে এসেছেন। অন্যদিকে কর্মকর্তাদের মতে, অধ্যক্ষ সব সময় উপস্থিত থাকেন না এবং অধিকাংশ সময় অনুপস্থিত থাকেন।
“ডা. আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে এ রকম অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম করলে কারও ছাড় নেই,”
জানান পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি এবং প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
