বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন: প্রকল্পে ব্যয় বেড়ে ১২,৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে
বগ ড় স র জগঞ জ র – বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্পটি আবার গতিশীলতা ফেরত পেয়েছে। বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে প্রকল্পটির সংশোধিত উন্নয়ন প্রস্তাব (ডিপিপি), যা রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পের বর্তমান খরচ প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা পৌঁছেছে।
২০১৮ সালে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় খরচ ছিল ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আট বছর পর ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধির বিষয়ে প্রকল্প দপ্তরের সূত্র জানিয়েছে। কারণগুলো হলো নির্মাণসামগ্রী ও জমির মূল্যবৃদ্ধি, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, এবং প্রকল্পের পরিধি বাড়ানো।
সর্বশেষ ডিপিপি প্রস্তাবে মেয়াদ আরও চার বছর বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। এই প্রকল্পে আরও এক মাসের মধ্যে একনেক সভায় প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম জানিয়েছেন:
প্রকল্পটির নকশা ও অ্যালাইনমেন্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগির ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে এবং আগামী এক মাসের মধ্যে এটি একনেকে উপস্থাপন করা হবে।
প্রকল্প সূত্র অনুযায়ী, জমি অধিগ্রহণ কাজটি গতি পেয়েছে। বগুড়া ও সিরাজগঞ্জে ভূমি বুঝে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমান ডিপিপিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ হাজার ২৪৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এই ব্যয়ের মূল কারণ হলো জমির মূল্যবৃদ্ধি।
সংশোধিত ডিপিপি সূত্রে জানা যায়, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৭৬ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এ পথে দূরত্ব কমবে প্রায় ১১৪ কিলোমিটার এবং যাত্রার সময় সাশ্রয় হবে প্রায় তিন ঘণ্টা।
পুনর্বাসন ব্যয় বাড়ায় ভূমি অধিগ্রহণ খাতে ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে। মূল ডিপিপিতে প্রায় ৯৬০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য খরচ ছিল ১ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। কিন্তু পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তে প্রয়োজনীয় জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯০১ দশমিক ৭৭ একর।
অর্থাৎ ভূমি মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই খাতে শুধুমাত্র ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে ৩২৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় মোট ১২১টি ছোট-বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে করতোয়া নদীর ওপর ২৪৬ মিটার এবং ইছামতী নদীর ওপর ২০৫ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি বড় সেতু সহ অনেকগুলি আছে।
এছাড়াও ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ও
