Bangladesh

স্কুলে মিড-ডে মিল: অসাধু ঠিকাদারে প্রশ্নের মুখে ভালো উদ্যোগ

স্কুলে মিড-ডে মিল: অসাধু ঠিকাদারে প্রশ্নের মুখে ভালো উদ্যোগ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে একটি মহতী উদ্যোগ

স ক ল ম ড ড ম – বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৪ অনুযায়ী, দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৭ জন এবং শিক্ষক রয়েছেন ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৯৫ জন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু হয়। খাবারের তালিকায় রয়েছে বানরুটি, সেদ্ধ ডিম, কলা, ইউএইচটি দুধ ও ফর্টিফায়েড বিস্কুট। দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ে এই খাবার বিতরণ হচ্ছে।

ঠিকাদারদের কারণে ঘটনা সামনে এসেছে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, খাবারের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে প্রকল্পটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, তদারকি আরও বাড়াতে হবে এবং ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আগামী অর্থবছরে আরও ৩৪৮ উপজেলায় এই কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

“মিড-ডে মিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, ঝরে পড়া কমানো এবং পাঠে মনোযোগ ধরে রাখা। তবে কোনো অসুস্থতার ঘটনা সামনে এসেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুর উপজেলার কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচা কলা, ডিম ও রুটি সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে।”

খাবারের মান নিশ্চিত করা জরুরি

নির্ধারিত তালিকার অনুযায়ী, শনি, রবি, বুধ ও বৃহস্পতিবার বানরুটি ও সেদ্ধ ডিম দেওয়া হয়। সোমবার বানরুটি ও ইউএইচটি দুধ এবং মঙ্গলবার ফর্টিফায়েড বিস্কুট ও কলা। ইউএইচটি (আলট্রা হাই টেম্পারেচার) হলো দুধ সংরক্ষণের পদ্ধতি। খাবার গ্রহণ ও বিতরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী প্রতিটি ডিম ১৪ টাকা, কলা ১০ টাকা, বানরুটি ২৫ টাকা, দুধ ২৯ টাকা ও বিস্কুট ১৯ টাকা ধরে হিসাব করা হয়েছে।

“খাদ্যের মান নিশ্চিত করা জরুরি। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পচা বানরুটি, নষ্ট ডিম, ছোট ও পচা কলা বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে মানসম্মত খাদ্য সরবরাহে ঘাটতির কারণে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়াসহ কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ

Leave a Comment