গ্যাসের অবৈধ সংযোগ: ফতুল্লার ঘরে ঘরে ‘মৃত্যুকূপ’
গ য স র অব ধ স – নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কুতুবপুর এলাকার বাসিন্দা নুসরাত জাহান বর্তমানে রান্নার জন্য আতঙ্কে পড়েছেন। তাঁর পরিবারের মূল রান্না করার জন্য দিনে তিন-চার ঘন্টা সময় দেওয়া থাকে। কিন্তু সম্প্রতি একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনার কারণে তিনি রান্নাঘরে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এ সমস্যায় অনেকে ইলেকট্রিক চুলার দিকে ঝুঁকছেন।
চলতি মাসে ফতুল্লার উত্তর ভুইগড় এলাকায় এক দম্পত্তি এবং তাদের তিন সন্তান গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হন। তাঁদের সবাই মারা গেছেন। এরপর ১১ মে লাকীবাজার এলাকায় আবার চার জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে আব্দুল কাদির (৫০) গতকাল মৃত্যুর আঁচ পেয়েছেন।
গ্যাস লিকেজের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে
তিতাস সূত্র অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সংযোগ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৬৪ সাল থেকে। রাষ্ট্রীয় গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস এই অঞ্চলে গ্যাস পৌঁছাচ্ছে। কিন্তু প্রায় ৫-৬ বছর ধরে অনেক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। কিছু ক্ষেত্রে বিস্ফোরণে প্রাণ হারানো হয়েছিল ২০৪টি অগ্নিকাণ্ডে।
তিতাসের কর্তৃপক্ষের দুর্বলতা
‘আমরা মাইকিংসহ অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম চালু রেখেছি। কেউ যদি গ্যাসের গন্ধ পায়, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবার দাবি রেখেছি। দ্রুত দরজা ও জানালা খুলে দেয়া জরুরি। কিছু সময় বৈদ্যুতিক সুইচ ও চুলা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।’ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আরেফীন জানিয়েছেন।
তিতাসের ঠিকাদার ও মহানগর বিএনপি নেতা মুস্তাকিম শিপলু বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অবৈধ সংযোগে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে তিনি বিস্তারিত করেন সংযোগ ব্যবস্থাপনা।
নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে কর্মীদের পক্ষে
তিতাসের ফতুল্লা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম জানান, এখানকার গ্যাস লাইন বেশ পুরোনো। তাঁদের দ্রুত পরিবর্তন করা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চুলার সংযোগস্থল এবং ত্রুটিপূর্ণ ব্যবহার দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।
নাসিকের নগর-পরিকল্পনাবিদ মঈনুল
