পানিহীন পদ্মায় মাঝনদীতেও বালুচর, ডিসেম্বরের পর পানি আসবে কি
নদীর স্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
প ন হ ন পদ ম য় – বর্তমানে পদ্মা নদী দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। বাঁ তীর দিয়ে কম পানি প্রবাহিত হচ্ছে যখন ডান তীর দিয়ে বেশি পরিমাণে পানি গুঁঠন ঘটছে। মাঝের অংশটি পূর্ণ বালুচরে পরিণত হয়েছে। এভাবেই রাজশাহীর এলাকায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে নদীটি। বর্তমানে পদ্মায় পানির প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
পানির অভাবে আর্থিক ক্ষতি সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। সেচসংকটে পড়েছেন প্রায় দুই কোটি কৃষক। বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামীকাল শনিবার (১৬ মে) ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালিত হবে।
ফারাক্কা বাঁধ ও সংকট
ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী নেতৃত্বে এই দিবস উদ্যাপন করা হয়েছিল। নদীগবেষকদের মতে, বর্তমান স্থিতির কারণ উজানে স্থাপিত ভারতের ফারাক্কা বাঁধ। এই বাঁধ মাধ্যমে গঙ্গা নদী থেকে অব্যাহতভাবে পানি প্রত্যাহার হচ্ছে।
‘২০ বছর আগেও কয়েক মাইল দূর থেকে পদ্মার ডাক শোনা যেত। সেই ডাক আর বহুদিন শুনি না। নদীর ডাক আসবে কীভাবে, পানিই তো থাকে না। বছরে চার মাসের মতো পানি থাকে। তারপর নদী শুকিয়ে মরুভূমিতে পরিণত হয়।’
ফারাক্কা বাঁধ চালু হওয়ার আগে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ পরিমাণে পানি পেত। কিন্তু চুক্তি নবায়নের সময় পদ্মায় পানি নিশ্চিত করার দাবি করছেন এই অঞ্চলের মানুষ। তারপর নৌপথের প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার বন্ধ হয়ে গেছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তরও ক্ষীণ হচ্ছে।
পূর্ব পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা
১৯৭৬ সালে রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে শুরু হয়েছিল লংমার্চ। এর পর ভারত ১৯৭৭ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি করে। সেই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পেত। কিন্তু পরবর্তী চুক্তিতে দেশের ক্ষতি হয়েছে।
‘১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে বাংলাদেশ শুষ্ক মৌসুমেও পর্যাপ্ত পানি পেত। কিন্তু পরের চুক্তিতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার ডিসেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আমাদের প্রত্যাশা, ১৯৭৭ সালের মতো একটি চুক্তি করতে হবে; যাতে গঙ্গার পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়।’
১৯৯৬ সালে নতুন চুক্তি হয়েছিল যাতে গঙ্গার পানির বণ্টন নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে ভারত সঙ্গে বাংলাদেশের পদ্মায় পানি বণ্টন কম হয়েছে। নদীপাড়ে বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর জুনের দিকে পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নদী পূর্ণ পানিতে ভরে থাকে।
এরপর শীত শুরু হতেই চর পড়তে থাকে। রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন কর্মকর্তা খইবুর রহমান বলেন, গত বছরের ১৩ আগস্ট রাজ
