Bangladesh

গাজীপুরে এক সপ্তাহে ১১ হত্যাকাণ্ড, জনমনে আতঙ্ক

গাজীপুরে এক সপ্তাহে ১১ হত্যাকাণ্ড, জনমনে আতঙ্ক

গ জ প র এক সপ ত – গাজীপুর জেলায় এক সপ্তাহে সাত ব্যক্তির জীবন হারিয়েছে হত্যার শিকারী হয়ে। এ সময় একই পরিবারের চার সদস্য সহ মোট একাদশ ব্যক্তিকে গলা কেটে আহত করে হত্যা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংঘটিত ঘটনাগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। তারপরও আতঙ্ক বাড়ছে এই প্রকৃতির নৃশংসতা।

৮ মে রাতে কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামে শারমিন খানমের স্বামী ফোরকান সন্দেহভাজন হিসেবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় সাত বছরের মেয়ে মিম, আট বছর বয়সী মারিয়া, দুই বছর বয়সী ফারিয়া এবং তার ছোট ভাই রসুল মোল্লা সহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দুই দিন পর চিকিৎসার পর মৃত্যু হয়েছে আহত ব্যক্তিকে।

৯ মে সন্ধ্যায় উপজেলার ফাওগান বাজারে ষাটোর্ধ্ব বিএনপি নেতাকে সালিসে ডেকে আহত করা হয়। তিনি এক বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। মৃত জয়নাল আবেদীন ছিলেন নইমুদ্দিনের ছেলে। নিহত ব্যক্তি ফাওগান গ্রামে থাকতেন। সাথে তাঁদের ব্যবহার করা ট্রাকটি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

১০ মে কালিয়াকৈর উপজেলায় গরুচোর সন্দেহে তিন জনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় একটি ট্রাক আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করা হয়। ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিদিন নানান হত্যাকাণ্ড ঘটছে বাসায় থেকে বাইরে পাঠানোর সময় সবাই আতঙ্কে জেগেছেন।

১২ মে গাছা থানার ওঝারপাড়া গ্রামে শুভ নামের অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। তিনি গাজীপুর মহানগরীতে ভাড়া বাসায় অটোরিকশা চালাতেন। দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনিয়ে নেন। তিনি মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের আমির মিয়ার ছেলে ছিলেন।

গজারিবনে পুলিশ মেহেদী হাসান আসিফের মৃতদেহ উদ্ধার করে। তিনি রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ডোয়াইবাড়ি গ্রামে থাকতেন। তদন্তের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছেন প্রতিটি ঘটনার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে।

“আমাদের মধ্যে অপরাধ বোধ কাজ করছে না মাদক গ্রহণের কারণে। এ জন্য এত খুনোখুনি, হানাহানি হচ্ছে।”

“আমরা যথাযথ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠছি না। সুকুমারবৃত্তি ক্রমে বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছ

Leave a Comment