তনু হত্যার তদন্ত: দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি আদেশ জারি হয়েছে
আদালত রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন
তন হত য ম মল – কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে বিচারক মুমিনুল হক আজ সোমবার (৮ জুন) বিকেলে দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাঁদের অবস্থান শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করার জন্য রেড নোটিশ জারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ তাঁদের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আদেশে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম একটি আবেদন দাখিল করেন, যাতে দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তে নতুন অগ্রগতি কেন্দ্রে জারি করা হয়েছে পরোয়ানা।
তিনি বলেন, মামলাটির এ দিন আদালতে শুনানির তারিখ ছিল। তবে আদেশের অনুলিপি হাতে না পাওয়ায় তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে পারেননি।
তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এসেছে
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তে সম্প্রতি নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত আলামতের ডিএনএ বিশ্লেষণে পূর্বে শনাক্ত তিনজনের পাশাপাশি আরও একজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির রক্তের নমুনার সঙ্গে তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনার মিল রয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে যে সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুজ্জামান (জাহিদ) তৎকালীন কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার গড়ঘাটা এলাকায়। অন্যদিকে শাহীন আলম কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে বাস করতেন। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক কর্মকর্তা
আজ কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমানকে হাজির করা হয়। তাঁর পক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার। তিনি ২০২৩ সালে চাকরি
