Bangladesh

ইবির শহীদ জিয়া হল: বরাদ্দ কাগজে, সিট দখলে

জিয়া হলে সিট বরাদ্দের বিতর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে

ইব র শহ দ জ য় হল – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলে সিট বরাদ্দ সম্পর্কে ক্রমাগত বিতর্ক চলছে। এ কারণে হল প্রশাসন অনুমোদন ছাড়া কিছু শিক্ষার্থী অবৈধভাবে কক্ষে অবস্থান করছেন। মেধার ভিত্তিতে সিট দেওয়ার দাবি তুলেছেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা, যারা অবিবেচক কাজ বলে মনে করছেন।

গত ১৩ ডিসেম্বর হল কর্তৃপক্ষ আবাসিকতার আবেদন গ্রহণের জন্য নোটিশ প্রকাশ করেছিলেন। আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে তাদের মেধাক্রম ও একাডেমিক ফলাফলের ভিত্তিতে ৮৫ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছিল যে কোন বৈধ আবাসিকপ্রাপ্ত না হলে কক্ষে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের সিট বৈধ হবে না।

একাধিক শিক্ষার্থী হল প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির বিরোধিতা করছেন। নূর উদ্দীন বলেন, ‘আমার কক্ষে সিট ফাঁকা নেই। মেস ছেড়ে দিয়েছি। এখন আমার অবস্থানের জায়গাও নেই।’ তিনি অবৈধভাবে কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের সমাধান দেওয়া না হওয়ার কারণে বিশ্বাস করছেন যে প্রশাসন সিট বরাদ্দ প্রক্রিয়াতে অনিয়ম ঘটছে।

হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী তাহসিফ আজম বলেন, ‘আমার কক্ষে সিট ফাঁকা নেই। মেস ছেড়ে দিয়েছি। এখন আমার অবস্থানের জায়গাও নেই।’ অনুমোদন ছাড়া সিট বরাদ্দের দাবি তুলেছেন তিনি।

নূর উদ্দীন এবং মুজাহিদুল ইসলাম সাদ্দাম হোসেন হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে আপোস্টান অবস্থান করছেন। তাঁদের অনুমোদন ছাড়া সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মুজাহিদুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘প্রভোস্টের অনুমতি নিয়ে জিয়া হলের শিক্ষার্থী শাহরিয়ারের সঙ্গে রুম একচেঞ্জ করেই তাঁর রুমে ছিলাম। বর্তমানে আমি সেখানে থাকি না। তিন মাস ধরে মেসে আছি।’

জিয়া হলের ২২৫ নম্বর কক্ষে প্রায় এক মাস ধরে একা অবস্থান করছেন নূর উদ্দীন। কক্ষটিতে দীর্ঘদিন ধরে সিট ফাঁকা থাকলেও প্রশাসন এখনো বরাদ্দ দেয়নি। তবে এইচআরডি সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘প্রভোস্টের অনুমতি নিয়ে জিয়া হলের শিক্ষার্থী শাহরিয়ারের সঙ্গে রুম একচেঞ্জ করেই তাঁর রুমে ছিলাম।’

শাখা ছাত্রশিবিরের এইচআরডি সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘প্রভোস্টের অনুমতি নিয়ে জিয়া হলের শিক্ষার্থী শাহরিয়ারের সঙ্গে রুম একচেঞ্জ করেই তাঁর রুমে ছিলাম। বর্তমানে আমি সেখানে থাকি না। তিন মাস ধরে মেসে আছি।’ তিনি বলেন, ‘অবস্থান করতে আমার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি।’

হল প্রশাসন অবৈধভাবে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের বৈধ করার জন্য নোটিশ দিয়েছে। তাঁদের কাগজে-কলমে সি�

Leave a Comment