National

হাওরাঞ্চল:খোরাক বাঁচানোর চেষ্টায় কৃষক

হাওরাঞ্চল: খোরাক বাঁচানোর চেষ্টায় কৃষক

হ ওর ঞ চল খ র ক – প্রচুর বৃষ্টির পর দীর্ঘ সূর্যাই ধান কাটতে হাওরের জল-মগ্ন অংশে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। গত বুধবার থেমে থেমে হওয়া বৃষ্টি খোরাক বাঁচানোর জন্য কৃষকদের অস্বস্তিতে ফেলেছে। বৃহস্পতিবারের রোদ আবার হাওর পারের মানুষকে ব্যতিব্যস্ত করেছে। দীর্ঘসময় পানিতে তলিয়ে থাকা পাকা ধান পচে গেছে এবং হাওর এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। কৃষকেরা দেখায় পরিচিত হয়েছে যে হালি হাওরে পানিতে নেমে ধান কাটছে।

জামালগঞ্জের কালীপুর গ্রাম থেকে হালি হাওরমুখী প্রায় দুই কিলোমিটার জাঙ্গালে সয়লাব গড়ে উঠেছে। কালীপুর, লম্বাবাঁক, সদরকান্দি, কামিনীপুর এবং মমিনপুর গ্রামে শতাধিক নৌকা ভিড়িয়ে কৃষকরা ধান টেনে তুলছেন। কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী প্রাথমিক আক্রান্ত জমি মাত্র ২০ হাজার ৫৫০ হেক্টর। চূড়ান্ত ক্ষতি তালিকা এখনো প্রস্তুত হয়নি।

জামালগঞ্জের কালীপুর গ্রামে পরিস্থিতি

আলী আমজদ কালীপুর গ্রামে দুধারকান্দা জাঙ্গালে ধান ঢেকে রাখছেন। তিনি বলেন, ‘বত্রিশ কিয়ার করছালাম। লাগাইতে খরচ হইছে প্রায় ২ লাখ টাকা। কাটাইতে পারছি এক হালের (১২ কিয়ার) মতো। বাকি ধান পানির তলে নষ্ট হইছে। নষ্ট ধানই কাটতাছি। কোনো লাভ হইতো না।’

সাইফুর রহমানের পরিবারে ৭ জন সদস্য। তাঁর জীবিকা নির্বাহের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে একফসলি বোরো ধান। তিনি বলেন, ‘এই জমি করতে প্রায় লাখখানেক টাকা খরচা হইছে। কিন্তু কাটতে পারছি না। যারা কাটছে হ্যারা মরছে। যারা না কাটছে হ্যারা বরং ভালা আছে।’

আরও কৃষকদের পরিস্থিতি

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে অন্তত ৭০ হাজার হেক্টর বোরো জমি জলাবদ্ধ হয়েছে। দেড় লক্ষাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নৌকা থেকে নেমে হালি হাওরে ধান কাটছিলেন মো. মজনু মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি দশ কিয়ারের মতো লাগাইছি। গুলডুবির পারে ছয় কিয়ার তলাইন্যা আছে। এক কিয়ার খেত লাগাইতে ৫ হাজার ট্যাকা খরচা। ৪ হাজার ট্যাকা কিয়ার কাডানি লাগছে।’

রাবিয়া খাত�

Leave a Comment