রাজশাহীতে যুবককে গাছে বেঁধে লাঠিপেটা ঘটনা
দুই অভিযুক্ত এবং বিডিও করে নির্যাতন কাণ্ড
ক য ম র প রস ত – রোববার (১০ মে) রাজশাহী জেলার মতিহার থানা এলাকায় একটি ঘটনা ঘটেছে, যার মাধ্যমে একজন যুবককে গাছে বেঁধে লাঠিপেটা করা হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে এই হামলার সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে একটি ভিডিওর মাধ্যমে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ, কিন্তু অভিযুক্তদের আটকের জন্য চেষ্টা চলছে। এখনও পর্যন্ত কেউ কেউ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে অভিযোগের মাধ্যমে তুষারকে এভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
যুবকের নাম মো. তুষার (১৮), যার বাড়ি মতিহার থানার কাজলা বিলপাড়া মহল্লায়। ঘটনার সময় তাঁকে লাঠি দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে দুই অভিযুক্ত এই বিডিও তৈরি করে আটকে রাখা হয়। এরপর সেই ভিডিও তুলে ধরে নেওয়া হয়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্তদের মারধাম চালানো হয়েছে এমন প্রকারে যে গাছে বেঁধে রাখা যুবক এক মুহূর্তে ৪৫ সেকেন্ডে একটি প্রকারে লাঠি দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের ক্ষমা চেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তুষার কেবল ‘ও মা, ও মা’ করছিলেন। এই শব্দ ছাড়া তিনি কোন কথা বলতে পারেননি।
“অভিযোগ যা-ই হোক; কেউ এভাবে আইন হাতে তুলে নিয়ে গাছে বেঁধে পেটাতে পারে না। এটি যেমন অপরাধ, তেমনি ভিডিও করে ছেড়ে দেওয়া আরেকটি অপরাধ। চিকিৎসা শেষ করেই তুষার থানায় এসে অভিযোগ করবেন। এ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” — মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কবি
পুলিশ জানান, দুই অভিযুক্ত যুবক নির্যাতনের সময় তুষারকে গাছে বেঁধে রাখেন। তারপর তাঁকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের ফলে তুষার আকুতি জানিয়ে বলছিলেন, ‘হৃদয়, একটু দাঁড়াও ভাইয়া।’ কিন্তু তাঁকে নির্দয়ভাবে মার খাওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি দিয়ে একই সময়ে দুজন মিলে তুষারকে কেবল চার পাশে বার দারুণ আঘাত করেছে। একজন অভিযুক্ত তাঁকে গাছে বেঁধে রাখেন এবং অন্যজন অপরাধের সাক্ষ্য নিয়ে লাঠিপেটা করেন। যে কোন ঘটনার সাক্ষ্য নিয়ে তাঁদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলেন, এ ঘটনার পর তুষার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা করেছেন। যে কেউ তুষারকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন। প�
