Analysis

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপানো যুদ্ধের কারণেই আঞ্চলিক পরাশক্তি হয়ে উঠেছে ইরান?

ইরান কিভাবে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে নতুন করে পরিচিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপানো যুদ্ধের কারণে?

য ক তর ষ ট র ইসর – চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তন করেছে। এই সংঘাত সামরিক লড়াই ছাড়াও ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব সম্পর্কে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে।

২০২৫ সালের জুনে সংঘটিত বিশ দিনের যুদ্ধের পর ইরান কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনও প্রতিরোধের সুযোগ ইরান নিয়েছে। তার ভূখণ্ড থেকে প্রতিরোধের পরিধি বৃহত্তর অঞ্চলে বিস্তার পেয়েছে।

সংঘাতের আগে ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশল ছিল আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা নীতির ওপর ভিত্তি করে। তবে এখন দেশটি আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা এবং বাহ্যিক প্রতিরোধের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে শুরু হওয়া প্রতিরোধ কৌশল তার আঞ্চলিক মিত্রদের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে।

এক সময় পশ্চিমা দেশ ও তাদের আঞ্চলিক মিত্ররা ইরানের প্রতিরোধের অক্ষকে শুধু প্রক্সি হিসেবে বিবেচনা করত। কিন্তু বর্তমানে তেহরান তাদের কৌশলগত প্রতিরোধ বাস্তবায়নে সক্ষম হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মাত্রা পেয়েছে ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বজায় রাখার মূল্য নতুন করে আলোচিত হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় মার্কিন বাহিনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়নি। এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো সম্পর্ক বজায় রাখার সঙ্গে তেহরানের সাথে কার্যকর পরিচালনার মধ্যে ভারসাম্য খুঁজছে।

সোমবার যখন ইরান সতর্ক করে দেয়—ইসরায়েল যদি বৈরুত এবং দক্ষিণ দাহিয়া উপশহরে হামলা চালায়, তাহলে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা থেকে সরে আসবে।

প্রতিরোধ কৌশলের পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে। বাইরের মিত্র নেটওয়ার্কের পরিবর্তে ইরান তার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রতিরোধ চালাচ্ছে। এ কারণে বৈশ্বিক নিরাপত্তার ধারণা পরিবর্তিত হয়েছে। আরব উপসাগরীয় দেশগুলো এখন নতুন নিরাপত্তা সংকটের মুখোমুখি।

ইরানের প্রতিরোধ কৌশল আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে নতুন স্তরে চূড়ান্ত হয়েছে। যুদ্ধের পর উপসাগরীয় অঞ্চলের সমষ

Leave a Comment