বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ
শূন্যরেখা থেকে ৩৩ জন প্রত্যাগ্রহণ করা হয়েছে
প শ ইন র চ ষ ট – লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা ও আদিতমারী উপজেলার চারটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর পুশ ইন চেষ্টা সফল হয়নি। শুক্রবার রাতে ও আজ শনিবার ভোরে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ মোট ৩৩ জনকে শূন্যরেখা থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
বৈঠকের প্রেক্ষিতে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে
লালমনিরহাট সীমান্তের প্রধান পিলার বিপরীতে সন্ধ্যে বাংলাদেশ-ভারতের অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে বিজিবি এবং বিএসএফ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। যে সীমান্তে শিশু সহ নারী-পুরুষ চার্জ করে ওঠে সে ক্ষেত্রে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সীমান্তে প্রতিরোধ বাড়ানো হয়েছে
পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের কামাতটারী এলাকায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বিএসএফ সীমান্ত সংলগ্ন লাইট বন্ধ করে দেন। এর আগে একই দিন হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা সীমান্তের প্রধান পিলারের কাছে বুড়াসারডুবি এলাকা থেকে তিন জন পুরুষ ও আট জন নারীকে ঠেলে পাঠানো হয়।
“আমরা সব সীমান্তের আশপাশে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। যে কোনো পুশ ইন হতে দেব না। সমস্যা হয়েছে সীমান্তে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে গ্রাউন্ড লেবেল কমান্ডার ও সিও সহ ব্যাপারে কথা বলেছি। সিদ্ধার্থ প্রসিডিউর অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণে আনা হবে প্রতিরোধ,” বলেন রংপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম শফিকুর রহমান।
আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্তের বিপরীতে শ্রীলঙ্কাপাড়া এলাকা থেকে পাঁচ নারী, তিন পুরুষ ও দুই শিশু আটকা পড়ে। সমস্যা হয়েছে লালমনিরহাটের চারটি সীমান্ত দিয়ে যে সমস্ত পুশ ইন চেষ্টা করেছে বিএসএফ, তা সফল হয়নি।
