হামের প্রাদুর্ভাব: টিকাদান কর্মসূচি পূরণ হলেও সংক্রমণ হার কমেনি
হ ম র প র দ র – হাম রোগের প্রতিরোধ কর্মসূচিতে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দুই মাস সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। তবে সংক্রমণ বা মৃত্যুর হার এখনো আশানুরূপ পরিমাণে কমে না। শিশুদের টিকা প্রয়োগের সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রার বেশি হয়েছে বলে প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে। তবে সে কারণে গণরোগের প্রতিরোধক্ষমতা বা হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়নি। এটি বিশেষজ্ঞদের মতে হামের প্রাদুর্ভাব সামাপ্ত হওয়ার জন্য কমপক্ষে আরও কিছু সময় দরকার হতে পারে।
বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির ফলাফল
গত পাঁচ এপ্রিল থেকে প্রাথমিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি জেলার মধ্যে প্রতিদিন প্রচার কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ২ লাখ ১ হাজার ৮৯৭ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০ জন শিশু হাম উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। স্থানীয় সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা গেছে যে এই কার্যক্রমের মাধ্যমে জেলায় সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যদিও জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট প্রায় দেড় হাজার রোগী ভর্তি হয়েছে, তবে সংক্রমণ তীব্র হারে চলতে থাকার কারণ হল টিকার কভারেজ পূর্ণ ছাড়া হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠছে না।
“টিকাপ্রাপ্তি থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে, সে জন্য আমাদের পর্যবেক্ষণ ও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।” এ কথা বলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন।
সরকারের টিকাদান কর্মসূচি গত কয়েক মাসের মধ্যে কার্যকর হয়েছে। কিন্তু অতিক্রম করা লক্ষ্যমাত্রা সত্ত্বেও হাম রোগ দেশে স্থানীয় ক্ষেত্রে আক্রান্ত হয়েছে। এ কারণে প্রতিদিন কয়েকজন শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। গতকাল শুক্রবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা নতুন করে ২০ জন ছিল। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংখ্যা তাদের প্রত্যাশামতো কমেনি। প্রতি দিনের মৃত্যুর হার ৫ থেকে ১০ এর মধ্যে
