তপুর জোড়া গোলে বাংলাদেশের ইউরোপ জয়
তপ র জ ড় গ ল ব – তপ র জ ড় গ ল এক ঐতিহাসিক বিজয় ঘটিয়েছেন বাংলাদেশের ফুটবল দলকে। ইউরোপে স্বাগতিক দল সান মারিনো বরাবর স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশের প্রথম জয়। এ জয়ের মূল কারণ হল তপু বর্মণের দুই গোলে সামনে তুলে ধরা সামগ্রিক প্রতিযোগিতা। এই সাফল্য বাংলাদেশ ফুটবল ক্রিকেট সেনাবাহিনীর ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ইউরোপে প্রথম জয়ের প্রস্তুতি
নতুন কোচ টমাস ডুলি দলকে ৪-৩-৩ ছকে প্রস্তুত করেছিলেন। জামাল ভূঁইয়া অধিনায়ক হিসেবে মাঝমাঠের ক্রমাগ্রাহী নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হামজা চৌধুরী ও সোহেল রানা এই ছকে ক্রমাগ্রাহী খেলার প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের গ্যালারিতে উত্সাহের প্রবাহ ছিল যা দলকে অগ্রগতির পথ প্রদান করেছিল।
ম্যাচ শুরুতে সান মারিনো বাংলাদেশকে বেশি চাপে ফেলেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ দল তাদের আক্রমণ প্রতিকূল করতে সক্ষম হয়। এ ম্যাচে তপু বর্মণের সামগ্রিক প্রতিযোগিতা ছিল নেতৃত্বপূর্ণ। জাল কাঁপানোর প্রথম ক্ষমতা তাঁর অষ্টম গোল হিসেবে রয়েছে।
প্রথম গোলের বিপুল প্রভাব
খেলার শুরুতেই সান মারিনো জাল কাঁপানোর চেষ্টা করে। ১৯ মিনিটে শেখ মোরসালিনের দুর্দান্ত ক্রস থেকে তপু বর্মণ হেড শট করে প্রথম গোল করেন। এই গোল বাংলাদেশের মনোবিস্তারের আনুপাতিক সূচনা করে। কিন্তু শীঘ্রই সান মারিনো সমতা ফেরায়।
৩১ মিনিটে নিকোলাস জাকোপেত্তি কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করে ম্যাচকে সমতুল্য করে। বাংলাদেশ দল এই সমতা ভেঙে তার ক্রমাগ্রাহী আক্রমণ বাড়ায়। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংকট তৈরি হয়। তপ র জ ড় গ ল প্রতিযোগিতার সামনে সরাসরি স্থান তৈরি করে।
প্রতিরোধ ও পুনর্প্রাপন
খেলার মাঝামাঝি স্বাগতিক দল প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়েছিল। ৩৩ মিনিটে রফিকুল ইসলাম কড়া ফাউল করে হলুদ কার্ড পান। এ বিষয়টি বাংলাদেশ রক্ষণ বেশি সংকটে ফেলেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক মাঠে এই সাফল্য তাদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছে।
৬৪ মিনিটে ফাহিমের বদলি হিসেবে বিশ্বনাথ ঘোষ মাঠে নামে। নিয়ন্ত্রণ ফেরত আনার পর সান মারিনো চাপে পড়ে। এরপর ৮৫ মিনিটে কাপিক্কিওনির ফাউল থেকে হামজা চৌধুরী ক্রমাগ্রাহী ক্ষমতা দেখায়। হামজা চৌধুরীর শটে তপু বর্মণ আবারও জাল কাঁপিয়ে দিয়েছেন।
বাংলাদেশের জার্সিতে এটি তাঁর অষ্টম গোল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তপুর এই জয়সূচক গোলের প্রতি একটি মহান প্রতিযোগিতা ঘটেছে। স্বাগতিকদের চাপ সমাপ্ত হয় এই সাফল্যের সাথে।
