রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির আগ্রাসন দখলের প্রস্তুতি
র খ ইন র শ ষ ৩ – রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি (এএ) জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ ঘটছে। বর্তমানে এএ রাখাইন রাজ্যের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং সিতওয়ে রাজধানী ও কিয়াউকফিউ টাউনশিপ দখল করার প্রস্তুতি চলছে। যুদ্ধে বিশেষ ভাবে গোলাগুলি ও গোলন্দাজ লড়াই তীব্র হয়েছে।
প্রান্তিক এলাকার গোলাবর্ষণ বৃদ্ধি পেয়েছে
সামরিক বাহিনী ঘোষণা করেছে, সিতওয়ে ও কিয়াউকফিউ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। সানে শহরে জান্তা সেনার নৌঘাঁটি থেকে এএ হামলা চালিয়েছে। আক্রমণের পর স্থানীয় সূত্র বলেছে, অবকাঠামো প্রকল্পের নিকট গোলাবর্ষণ তীব্র হয়েছে। যুদ্ধজাহাজ থেকে প্রতিরক্ষা বাড়ছে এবং হামলা চালিয়েছে এএ এবং জান্তা বাহিনীর মধ্যে বৃহৎ তীব্রতা দেখা যাচ্ছে।
‘রাতে আমরা অবিরাম গোলন্দাজ হামলার শব্দ শুনি। এএ বিভিন্ন দিক থেকে গোলাবর্ষণ করছে।’
বিমান আক্রমণের প্রভাব স্পষ্ট
যুদ্ধবিমান আসার সময় সংঘর্ষ তীব্রতর হয়েছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বিমান হামলা না হলে যুদ্ধ তুলনামূলক তীব্র হয়। কিন্তু বিমান আসার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে। তবে স্থানীয় উৎস অনুযায়ী, দুই কিলোমিটার দূরে গোলাবর্ষণে জান্তা বাহিনীর কয়েক ডজন সদস্য নিহত হয়েছে।
সামরিক বাহিনী ঘনিষ্ঠ সূত্রে বলা হয়েছে, তীব্র সংঘর্ষে চার দশকের বেশি সামরিক সদস্য মৃত্যুবরণ করেছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে প্রায় ১১ তম লাইট ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন ও দানিয়াওয়াড্ডি নৌ সদরদপ্তরের সেনা মোতায়েন রয়েছে। এই মোতায়েন প্রতিরক্ষা বাড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ত্রাণ সংস্থাগুলো অনুযায়ী, কিয়াউকফিউ এলাকায় আট হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ দিয়ে এই মানুষদের সহায়তা চলছে। অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর কাছাকাছি এলাকায় রাখাইন রাজ্যের প্রতিকূল অবস্থা দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে এএ রাখাইনের ১৭টি টাউনশিপের মধ্যে ১৪টি দখল করেছে। চীনের সমর্থনে গঠিত অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর পালেতোয়া
