রেলওয়ে প্রকল্পে অধিগ্রহণ করা জমির ন্যায্যমূল্যের দাবিতে শেরপুরে মানববন্ধন
র লওয় প রকল প অধ গ – বগুড়া জেলার শেরপুরে ক্ষতিগ্রস্ত জমি মালিকদের প্রতিবাদে মানববন্ধন প্রদর্শন করা হয়েছে। সেই প্রকল্পে অধিগ্রহণ করা জমির ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের দাবি উঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ভাদ্রা এলাকায় এ প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ রয়েছে যে একই এলাকায় প্রতি শতাংশ জমির মূল্য শতাংশপ্রতি এক থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে হয়েছে, কিন্তু তাঁদের জমির মূল্য ধরা হয়েছে কেবল সাত হাজার টাকার মাত্র।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য এবং ভূমি অধিগ্রহণ পরিসংখ্যান
বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত ৮৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প চালু হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ আরও সহজ হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯৬০ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে বগুড়া জেলায় ৪৭৯ একর এবং সিরাজগঞ্জ জেলায় ৪২০ একরের বেশি জমি রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে এক হাজার ৯০০ কোটির বেশি টাকা।
“পাশের এলাকার জমি শতাংশপ্রতি দেড় লাখ টাকায় প্রতিদন বিক্রি হয়েছে, কিন্তু আমাদের জমির মূল্য ধরা হয়েছে সাত হাজার টাকার মাত্র। একই এলাকায় এমন বৈষম্য মেনে নেওয়া যাবে না,” মো. রাসেল আহম্মেদ বলেন।
“বর্তমান বাজারে এ এলাকার প্রতি শতাংশ জমির মূল্য দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। কিন্তু অধিগ্রহণের সময় তাঁদের বসতভিটার জমি পতিত বা ধানি জমি হিসেবে দেখানো হয়েছে, ফলে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বেশি কম,” মো. জাকারিয়া হোসেন বলেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জোছনা বেগম। তিনি জানান, “আমরা নদীভাঙনের শিকার মানুষ। বহুবার ভিটেমাটি হারিয়ে কষ্ট করে এখানে জমি কিনে বসতি গড়েছি। এখন রেল প্রকল্পে সেই জমিও চলে যাচ্ছে। কিন্তু যে মূল্য আমাদের দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তাতে নতুন করে বসবাসের জায়গা তৈরি করা সম্ভব নয়।”
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানায় যে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে রেলপথ নির্মাণ প্রয়োজন। তবে �
