চাঁদপুরে গুঁড়া ছিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা: পাঁচ নারী ও দুই কিশোর গ্রেপ্তার
চ দপ র মর চ র গ – চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় সম্পত্তির বিতর্কের ফলে ওমর ফারুক নামে এক যুবককে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় পুলিশ পাঁচ নারী ও দুই কিশোর সহ সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ বুধবার ওমর ফারুকের বাবা আবদুল খালেক হাইমচর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন যার পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে
গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা হলেন আঁখি আক্তার (২৩), নাজমা বেগম (৪৫), লাকী বেগম (৩০), সোনিয়া বেগম (১৯) ও তয়মুনন্নেছা (৫৫)। তাঁদের সবার বাড়ি হাইমচর উপজেলার উত্তর আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত জুম্মান (১৫) ও আব্দুল্লাহ (১৩) নামের দুই কিশোরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ দ্রুত ক্রমে মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। আজ দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের শনাক্ত করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১টার দিকে উপজেলার আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামে মৃধা বাড়িতে ওমর ফারুক হত্যার শিকারি হন। তিনি আবদুল খালেকের ছেলে এবং হাইমচর উপজেলার উত্তর চরভাঙ্গা গ্রামের নানা হাসমত উল্যাহ মৃধার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
গতকাল দুপুর ১২টার দিকে হাসমত উল্যাহ পরিবারের সঙ্গে কুদ্দুস মৃধা (৩০), বিল্লাল মৃধা (২৫), হাসান মৃধা (২৮) ও হাবিব মৃধা (২১) সহ কয়েকজন পরিবারের প্রতিপক্ষ এজমালি পুকুরের ঘাট নির্মাণের বিতর্কের ফলে ঝগড়া দেখা দেয়। বিতর্কের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন বৃদ্ধ হাসমত উল্যাহকে মারধর করতে উদ্যত হলে নাতি ওমর ফারুক বিরোধ মীমাংসা করতে চেষ্টা করেন। এ সময় প্রতিপক্ষ ওমর ফারুক এবং তার নানার পরিবারের লোকজনের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। পরে একজন ধারালো দা দিয়ে তাঁর গলায় কোপ দেয়া হয়। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে গুরুতর জখম লাগে এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
