শোককে শক্তিতে রূপ দিয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াই বাংলাদেশের
শ কক শক ত ত র প – সকালে খবরটি পৌঁছে গেলে ভারতের গোয়াতে বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের ক্যাম্পে অপার্য সামান্যতম শোকে আক্রান্ত মনোভাব ছড়িয়ে পড়ে। ডিফেন্ডার শিউলি আজিমের মা নেমে এল বিদেশে পাড়ি দিয়ে না ফেরার সুযোগ। এর ফলে মাঠের সাধারণ অনুশীলন বাতিল করতে হয়েছে।
প্রায়শই স্বাভাবিক খেলার সময় চাই ফুটবল খেলোয়াড়দের একটি কঠিন বিপর্যয় ঘটেছে। কোচ পিটার জেমস বাটলার এর মনে হয় না এটি বড় ধরনের প্রভাব তৈরি করবে। তিনি বলেন, ‘যখন আপনি কোনও টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবেন, তখন মাঝে মধ্যে অতিরিক্ত অনুশীলনের একটি ঝুঁকি আছে। তবুও আমি মনে করি এটি মানসিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।’
আল্টারনেটিভ প্রস্তুতির ছক কষছে দল
পায়ে কোনও পাসিং বা ড্রিবলিং সেশন না হলেও ফুটবলারদের প্রস্তুত রাখতে ভিডিও অ্যানালাইসিসের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হয়েছে। বলেন, ‘প্রস্তুতির দিক থেকে আমি মনে করি আমাদের সুবিধাগুলো সবচেয়ে ভালো করে ব্যবহার করতে হবে। এখানের চারপাশে পরিবেশ বেশ সতেজ। আমরা গতকাল বিকেলে হাঁটতেও বেরিয়েছিলাম। ফুটবলে কোনও কিকও করিনি ঠিকই, কিন্তু আমার মনে হয় এটি আমাদের জন্য কোনও সমস্যা তৈরি করবে না।’
বাংলাদেশ গত দুই আসরে নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবারও একই পরিচয় দেখা গেল সেমিফাইনালে। প্রতিপক্ষের বিষয়টা কিছুটা ক্ষুদ্র হোমওয়ার্ক করা হয়েছে। তবুও বাটলারের সম্পূর্ণ মনোযোগ নিজের দলের পারফরম্যান্সের ওপর।
সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্য নিয়েছেন কোচ
বলেন, ‘আমরা নেপালের বিপক্ষে আগেও খেলেছি। অনূর্ধ্ব-২০ দলে তাদের বিপক্ষে মুখোমুখি হয়েছি। আমার তাদের কয়েকজন খেলোয়াড়কে চিনি। তাদের খেলার পদ্ধতি দেখেছি এবং আমরা নিজেদের হোমওয়ার্কও সম্পূর্ণ করেছি। তবে আমি নেপালকে নিয়ে কোনও চিন্তা করছি না। সত্যিই এর বিষয়টি হলো আমাদের খেলার মান �
