Bangladesh

একসময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন গাছেই নষ্ট

একসময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন গাছেই নষ্ট

একসময় র জনপ র য় দ শ – একসময় র জনপ্রিয় খেজুর য় দ শ – গাংনী উপজেলার স্থানীয় অঞ্চলগুলোতে খেজুরের গাছের সম্প্রদান ছিল অত্যন্ত প্রচুর। গাছে ঝুলে থাকা ফলগুলো সাধারণ মানুষের নিয়মিত খাদ্য হিসেবে চিহ্নিত ছিল এবং খেজুর রেখে খাওয়ার প্রচলন ছিল একটি অপরিহার্য অভ্যাস। তবে সময়ের সাথে সাথে এটির জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। অধিকাংশ খেজুর গাছ থেকে ঝরে পড়ে বা গাছে পেকে ক্ষয়ক্ষত হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন কারণে একসময় র জনপ্রিয় ফলটি এখন ক্ষীয়মান হয়েছে বলে মনে হয়। বাজারে এর প্রস্তুত মান কমে গেছে এবং তার স্বাদ ও পুষ্টিগুণের সম্পর্কে জানা নেই অনেকের কাছে।

খেজুরের আলাদা কদর ও প্রাকৃতিক প্রচলন

অতীতে খেজুর গাছ থেকে ক্ষুধার আশায় সবার নিয়মিত খাওয়া হতো। মানুষ এগুলো লবণ মিশ্রিত পানিতে দুই-তিন দিন রেখে পাকিয়ে খাওয়ার প্রক্রিয়া প্রচলিত ছিল। এই প্রস্তুত খেজুর তখন পাকিস্তান এবং আফ্রিকার নানান প্রদেশের বাসিন্দাদের পছন্দের অন্যতম ছিল। তার আপেল মিশ্রিত ক্ষমতা এবং অনুপাত স্বাদ সৃষ্টি করত। এখন সেই আপেল মিশ্রিত ক্ষমতা কিছুটা কমে গেছে, যার কারণে একসময় র জনপ্রিয় ফলটি বর্তমানে ক্ষীয়মান হয়েছে। গাংনী উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই বিপর্যয় স্থানীয় মানুষের পছন্দ ও আগ্রহের কমতির ফল।

বাসিন্দাদের মতামত ও চিন্তা

রামদেবপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সম্প্রদানের সময় খেজুর গাছ থেকে সবাই বেশির ভাগ খেজুর খাওয়ার প্রবৃত্তি ছিল। লবণ মিশ্রিত পানিতে দুই-তিন দিন রেখে খাওয়ার প্রাকৃতিক পদ্ধতি ছিল এবং সে সময় খেজুর আমাদের কাছে একসময় র জনপ্রিয় প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে চিহ্নিত ছিল। কিন্তু এখন আমাদের সম্প্রদান জনপ্রিয় খেজুর পাওয়া যায় না বলে মনে হয়।’

মো. ইসরাফিল হোসেন বলেন, ‘আগে ছোট-বড় সবাই দেশি খেজুর খাওয়া হতো। এখন আর তেমন কাউকে খাওয়া দেখা যায় না। বাজারে তার স্থানে প্রো ব্র্যান্ড খেজুর ও শুষ্ক প্রস্তুত খেজুর জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমাদের এখন সেই স্বাদের খেজুর খাওয়া হয় না বলে মনে হয়।’

করমদী গ্রামের হেকমত আলী বলেন, ‘তেরাইল, করমদী, কল্যাণপুর, রামদেবপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখি রাস্তার ধারে অসংখ্য খেজুর গাছ রয়েছে। বেশির ভাগ গাছে প্রচুর খেজুর ধরেছে। কিন্তু সেগুলো ঝরে �

Leave a Comment