ট্রাম্প-সি বৈঠক শুরু, তুরুপের তাস চীনের হাতে
মূল সামগ্রিক সমীক্ষা
ট র ম প স ব ঠক – বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে ট্রাম্পের স্বাগতিক সমারোহ চালু হয়েছে। দুই দেশের প্রধান নেতা একত্রে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করছেন, যাতে তিনি চীনের বাজার মার্কিন শিল্পের জন্য উন্মুক্ত করার প্রথম আবেদন করবেন। রয়টার্স নিউজ এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী বৈঠকে পরিস্থিতি উল্টো হয়েছে যেহেতু কয়েকটি প্রধান মুখ্য বিষয়ে আলোচনা চলছে।
সম্পর্কের সংক্রমণ
গত অক্টোবরে সম্মেলনে ট্রাম্প আবারও সি চিন পিংকে ‘জি-২’ বলে আখ্যায়িত করেছেন, যা দুই সুপারপাওয়ারের শাসনাধীন বিশ্বের অবস্থা বোঝায়। হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী বৈঠকে মুখোমুখি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার সম্মেলনের পর ইউনেসকো ঐতিহ্যবাহী টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ বিষয়ে কথা রয়েছে।
বাণিজ্য বিষয়ে সমালোচনা
ট্রাম্প বৈঠকে নিজেকে অবস্থান নিয়ে দুর্বল দেখিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ইচ্ছামতো শুল্ক আরোপের ক্ষমতা বিস্তার করেছেন। চীন পক্ষ থেকে সংঘাত সমাধানে সহায়তা করা ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে স্বার্থপর হয়েছে। চীনের জাহাজগুলি উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে আছে যার ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক গতি কমে গেছে।
“ট্রাম্পের আগের বেইজিং সফরের পর থেকে দুই দেশের ক্ষমতার সমীকরণ বদলে গেছে। চীন ট্রাম্পকে বিশেষভাবে আপ্যায়ন করেছিল এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে শত শত কোটি ডলারের পণ্য কিনেছিল।”
মার্কিন কর্মকর্তারা সামনে আসছে
সফরে গেছেন কয়েকজন মার্কিন সংস্থার প্রধান নির্বাহী যারা বিভিন্ন অচলাবস্থা নিরসনে কাজে লাগছেন। এ সময় সি চিন পিং ট্রাম্পকে লাল গালিচায় স্বাগতিক অভ্যর্থনা দেখানো হয়েছে। দুই নেতা করমর্দন করেন এবং একটি ব্রাস ব্যান্ড দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজায়।
পরিকল্পনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি
চীনের পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ট্রাম্প বেইজিংকে বোয়িং ওয়ানের বিমান, কৃষিপণ্য ও জ্বালানি বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন। ট্রাম্পকে তাইওয়ানের অস্ত্র বিক্রি বিষয়ে অনুমোদন প্রয়োজন হয়েছে। সি চিন পিং পক্ষ থেকে তাইওয়ানকে চীনের ভূখণ্ড বলে দাবি করা হয়।
গত অক্টোবরে বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির পরিচয় পেয়েছেন ট্রাম্প। তিনি চীনা পণ্যের ওপর শতকরা তিন অঙ্কের শুল্ক স্থগিত করেছেন বিনিময়ে চীন অস্ত্র পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যে বিরল খন
