দেবিদ্বারে বরাদ্দ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে
দ ব দ ব র বর দ – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ফটোকার্ডে প্রকাশিত হয়েছে হাসনাত আবদুল্লাহ এর দাবি যে, তিনি গোপনে ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন যা জনগণের উন্নয়নে ব্যয় করেছেন। এই দাবির প্রতিবেদনটি শেয়ার করা হয়েছে প্রায় তিনটি পোস্টে। ফেসবুক পেজ ‘Bengali Steam’ থেকে প্রকাশিত পোস্টটি আলোচিত দাবিতে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। ওই পোস্টে দুপুর ১টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত ৫ হাজার ৪০০ রিয়্যাকশন ও ১ হাজার কমেন্ট পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে দুই নেতার বরাদ্দ অভিযোগ
৩১ মে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’ র শিরোনাম ‘রাজস্ব তহবিল থেকে আসিফ ১৫ ও হাসনাত ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন: কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক’ এবং এতে বলা হয়েছে কুমিল্লা জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া থেকে ১৫ কোটি টাকা এবং হাসনাত আবদুল্লাহ থেকে ১০ কোটি টাকা গোপনে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় মোস্তাক মিয়া এ কথা ঘোষণা করেন।
‘আমি বলছি না ওই টাকা তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন। তাঁরা দুজনই নিজেদের উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দ বা উন্নয়ন বরাদ্দের নামে বিপুল পরিমাণ ওই টাকা নিয়ে অন্যান্য উপজেলাগুলোকে বঞ্চিত করেছে। কারণ আসিফ মাহমুদ আর হাসনাত আবদুল্লাহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু তাঁরাই সময়ের বরাদ্দ নিয়ে বাকি উপজেলাগুলোকে বঞ্চিত করেছেন।’
আলোচনা সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, ‘ওই অর্থবছরে জেলার বাকি উপজেলাগুলো সেই অর্থে কোনো বরাদ্দই পাইনি। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছিলাম।’ পরে একটি পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘রাজস্ব খাতের বরাদ্দ নয়, এডিপি প্রকল্পের বরাদ্দ। তাই দেবিদ্বারে বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এটা হলো সমন্বয়ের অবস্থা। তাঁরা চেয়েছিলেন বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী একটি সমন্বয়ের রাজনীতি, কিন্তু তাঁদের মধ্যে সেটা ছিল না।’
ডেইলি স্টার ও বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন
ডেইলি স্টার ও বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘২ উপজেলায় ২৫ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে’: কুমিল্লা প্রশাসকের অভিযোগ। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কথা বলতে যে আমি নিজের বরাদ্দের নামে টাকা নিয়েছি তা বিভ্রান্তিকর।’ এই বিষয়ে প্রতিবেদনগুলোতে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও হাসনাতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেবিদ্বারে বরাদ্দের বিষয়ে একাধিক পোস্ট রয়েছে, কিন্তু আলোচিত ফটোকার্ডে প্রচারিত বক্তব্যের কোনো �
