রাজধানীর কলাবাগানে ছোট ভাইয়ের ডাম্বেলের আঘাতে বড় ভাই খুন
র জধ ন র কল ব গ – রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় পরিবারের মধ্যে তীব্র বিবাদের কারণে বড় ভাই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ছোট ভাই দুই জন পরিবারের বিরোধের প্রতিশোধে অংশ নিয়ে বড় ভাইয়ের ডাম্বেলের আঘাতে তার মৃত্যু হয়। আটক করা ছোট ভাইয়ের নাম খুলে দেখা যায়নি, কিন্তু ঘটনার পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। রোববার তার মৃতদেহ স্কয়ার হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কলাবাগান এলাকায় চারপাশে শোকে ভরা হয়েছে।
বিবাদের উৎপত্তি এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ
বিবাদের উৎপত্তি হয়েছে পিতামাতার বিবাদের ফলে। রাজধানীর কলাবাগানে বসবাস করা দুই ভাই এবং তাদের পিতা সিরাজুল সালেকীন এবং মা ডা. সানজিদা আক্তার মৌসুমী এর দ্বন্দ্ব দীর্ঘ সময় ধরে চলছিল। বাবা কানাডায় প্রবাসী হওয়ায় মাঝে মধ্যে বিয়ে করে আবারও বাড়িতে আসার ফলে পরিবারে গোটা বিষয়গুলো নিয়ে ঝগড়া হত। কাজের বুয়ার রান্না খাওয়া এবং আর্থিক প্রভাবের কারণে আঘাত ও আলোচনা চলছিল। এ দুই ভাই এর মধ্যে ক্রমে ক্রমে কথার লড়াই বাড়তে থাকে।
রাজধানীর কলাবাগানে বসবাস করা দুই ভাই কিছুদিন ধরে পরিবারের কাছে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা চেয়েছিল। কিন্তু বাবা মায়ের সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র মতামত পার্থক্য হওয়ায় আরও তীব্র বিবাদে পরিণত হয়। ঘটনার আগে তাদের গ্রাম বগুড়া জেলার আদমদিঘী থানার হারভাংগা গ্রাম থেকে রাজধানীতে আসা দুই ভাই পরিবারের জন্য কিছুটা স্বাধীনতা পেয়েছিল। কিন্তু এখন সেই স্বাধীনতা হারিয়ে চলছে।
ঘটনার পর পুলিশের প্রতিক্রিয়া এবং মৃত্যু ঘটনা
গত রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনার ঘটনার পর পুলিশ কলাবাগান থানায় ঘটনার প্রতিক্রিয়া নেওয়া হয়। ছোট ভাই হত্যার ঘটনার পর তিনি নিহত ভাইয়ের মৃত্যু স্থানীয় স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার মাথায় লোহার ডাম্বেল দিয়ে সামান্য আঘাত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আঘাত খাওয়া কলাবাগান এলাকার দুই ভাই তীব্র স্থানীয় বিবাদে আবার আঘাত করে। ফলে বড় ভাইয়ের মাথা ফেটে যায়। এতে প্রাণ হারায়।
বাবা মায়ের সংস্কৃতি এবং আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে বিবাদ চলছিল। রাজধানীর কলাবাগানে বসবাস করা দুই ভাই কাজের বুয়ার রান্না এবং বিয়ে করে আসার ফলে আঘাত ও ঝগড়া বাড়ছিল। ছোট ভাই অপরাহ্ণে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ডাম্বেল ব্যবহার করে। এতে বড় ভাই গুরুতর আহত হয়। স্কয়ার হাসপাতালে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়, কিন্তু কয়েক ঘন্টা পর তার মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কলাবাগান এলাকার মানুষ বিষণ্ণ হয়েছে।
বিবাদের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সাক্ষীদের বর্ণনা
বাবা কানাডায় প্রবাসী হওয়ায় মাঝে মধ্যে তার সাথে বিয়ে করে আসা মা ডা. সান
