বিশ্বকাপ তৈরি করছে নতুন সূচি এবং উচ্চ আশা
ট রফ ধর র খত প রব – তার পরে এই বিশ্বকাপের সংগঠন প্রস্তুত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় স্থাপন করা হয়েছে। এই আনুষ্ঠানিক উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করছে ৪৮টি দল। প্রাচীন লুসাইল স্টেডিয়ামের মহাকাব্যিক রাতের স্মৃতি তখনও আলবিসেলেস্তের সমর্থকদের চোখে ভাসছে টাটকা রঙের ছবির মতো। যাইহোক, ফুটবল সময়কে কখনও থামিয়ে রাখতে দেয় না। হুবু হুবু দরজায় কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। আর্জেন্টিনা এখন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মাঠে নামছে, যাতে ক্ষুধার্ত মানসিকতার জন্য একই সঙ্গে মুকুট ধরে রাখার চাপ এবং সোনালি প্রজন্মের শেষ অধ্যায়কে অমর করে রাখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তাদের প্রাণ জুড়ে আছে।
মেসির যুগ থেকে এক নতুন চালানো দল
২০১৮ সালে লিওনেল স্কালোনি ভাঙাচোরা এক দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং তখন খোদ বুয়েনস এইরেসে সমর্থকদের আশা বিস্তার করতে হয়েছিল। হুবু হুবু তারা বিশ্বজয়ী দলটিকে এক অপরাজেয় পরিবারে রূপান্তর করতে সক্ষম হন। কাতার বিশ্বকাপের শেষ অধ্যায়কে প্রমাণ করেছে আর্জেন্টিনা, যে সময় তারা কোপা আমেরিকার টানা শিরোপা করেছিল। স্কালোনির আর্জেন্টিনা দলের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য তাদের ধারাবাহিকতায় দেখা যাচ্ছে। যেখানে মাঠে লিওনেল মেসি থাকেন, সেখানে পুরো খেলার ধরন আবর্তিত হয় তাঁকে কেন্দ্র করে। তাই নেই মেসি তখন দলটি হয়ে ওঠে আরও গতিশীল এবং ক্ষিপ্র।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় আর্জেন্টিনা দলটি নতুন প্রতিযোগিতায় প্রবেশ করছে। এই মহাকাব্যিক রাতের পর সাড়ে তিন বছর অতিবাহিত হয়েছে। তাদের কাঁধে মুকুট ধরে রাখার কৌতূহল এবং সোনালি প্রজন্মের শেষ অধ্যায়কে অমর করতে এক নতুন মাত্রা ছড়ানো হয়েছে।
ফুটবলে নতুন জ্ঞান প্রয়োগে দলে বিস্তার
আর্জেন্টিনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত। মাঝমাঠে আলেক্সিস মাক আলিস্তার ও এনসো ফার্নান্দেসরা তাদের ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে দাঁড়িয়েছে। সাম্পাওলির বিদায়ের পর নতুন প্রজন্মের স্থান দিয়েছে স্কালোনি। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে তাদের নতুন করে বিজয়ে নতুন দিন কাটছে। তারা প্রমাণ করেছে যে সাফল্য ক্ষুধার্ত মানসিকতাকে বিন্দুমাত্র সস্তা করে দেয়নি। নাপোলির গিলিয়ানো সিমিওনে, স্ট্রাসবুর্গের বারকোদের মতো নতুন ক্লাব থেকে প্রবেশ করা ফুটবলাররা দলে নতুন মাত্রা যোগ করছে
