নোয়াখালীর সেনবাগে সংঘর্ষে আহত ৩২ জন
ন য় খ ল র স নব – ন য় খ ল র স নব-সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে দুই পাড়ার মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা বিস্তার করে সংঘর্ষের ঘটনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পুলিশের এসআই ও এএসআই সহ উভয় পক্ষে মোট ৩২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাজার প্রতিষ্ঠান গুলি ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকারি হয়েছে এবং ক্ষতি প্রায় অর্ধশতাধিক।
সংঘর্ষের কারণ ও প্রকৃতি
সংঘর্ষ শুক্রবার রাতে শুরু হয় এবং ভোর পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন ছিল। প্রথমে ছোট বিরোধ নিয়ে উভয় পক্ষের ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচনা চালানো হয়। কিন্তু পরে সেই বিরোধ প্রসারিত হয়ে পাল্টাপাল্টি চালানো হয়। ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে সংঘর্ষের ফলে সামাজিক উত্তেজনা প্রায় অপ্রতিহত হয়ে ওঠে। এই ঘটনা মূলত সংঘটিত হয়েছে প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে চলা বিরোধের ফলে।
বাজারে সংঘর্ষের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাটে বিপ্লব ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং সামাজিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করে। এখনও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ আহতদের প্রতিবেদন দেখে একটি মামলা তৈরি করবে। কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান হয়। আবেগপ্রবণ পরিস্থিতির মধ্যে ঘটনার প্রকৃতি এখনও নিশ্চিত হয়নি।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি
সংঘর্ষের কারণে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গুলির ক্ষতি প্রায় অর্ধশতাধিক। মূল বিষয় হল ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রহমানের ছোট ভাই আবুল খায়ের ও ইসমাইল হোসেনের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে সংঘর্ষ। তাদের বিরোধ অনেক সময় সামাজিক ও আর্থিক আঘাতে সামনে আসে।
অভিযুক্ত আবুল খায়ের ও ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, কিন্তু তাঁদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ব্যবসায়ীদের দাবি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ যাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা চলমান আছে।
বাজারে ঘটনার পর বিভিন্ন ব্যবসায়ী বলেন, সংঘর্�
