Bangladesh

নেছারাবাদে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট, দুর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রাহক

নেছারাবাদে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট, কয়েক হাজার গ্রাহক পীড়িত

ন ছ র ব দ ভয় বহ – ন ছ র ব দ ভয় বহ – নেছারাবাদ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে দুটি বৈদ্যুতিক ফিডারে অস্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বিপর্যয় ঘটেছে। এ ফিডারগুলো দৈহারী ঠাকুরালয় এবং সুটিয়াকাঠি ভয়েস স্কুল থেকে বৈঠাকাঠা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল আবৃত করেছে। কয়েক হাজার গ্রাহক দুর্ভোগে পড়েছেন, যাদের দিনে কমপক্ষে ৪-৫ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টি বা ঝড়ের সময় বিদ্যুৎ বিভাগের স্থায়ী ক্ষতির কারণে কম সময়ের মধ্যে সামান্য ক্ষতি হতে থাকে।

ফিডার কম ধারণক্ষমতা নিয়ে সমস্যা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উপজেলার সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে মোট ৫০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে দুটি ফিডার কম ধারণক্ষমতার কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রে গ্রামীণ এলাকাগুলো চরম বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে। কৃষিকাজে নিয়োগ পাওয়া শ্রমিকদের বিদ্যুৎ অবকাঠার কারণে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

আগের তুলনায় অবনতি হয়েছে

বলদিয়া ইউনিয়নের বিন্না গ্রামে কৃষক রতন দাস অভিযোগ করেন, এ মৌসুমে বিদ্যুৎ সংকটের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নতুন। তিনি বলেন, আগে ঝড়-বন্যার আগে গাছপালা পরিষ্কার করা হতো এবং সরবরাহ ভালো ছিল। এখন তার কারণে সামান্য বৃষ্টি কিংবা গাছের ডালের স্পর্শে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ চলছে।

বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কামাল হোসেন বলেন, এ ফিডারগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ সংকট অব্যাহত থাকছে। এ অঞ্চলে দুই ফিডারের বিদ্যুৎ সরবরাহ অস্থিতিশীল হওয়ায় স্থানীয় গ্রাহকদের চরম অসুবিধা হচ্ছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের মতে, ন ছ র ব দ ভয় বহ ক্ষেত্রে সেচ ও ধান ভাঙার কাজ অসম্ভব হয়ে পড়ছে। কিছু ক্ষেত্রে লাইন ছিঁড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ এক সপ্তাহের বেশি সময় বন্ধ থাকে।

ডিজিএম কর্মকর্তার কারণে ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে

বলদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বাবুল মিয়া অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ বিভাগের ডিজিএম দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে লাইনের পাশে গাছপালা পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে দুটি ফিডারে বিদ্যুৎ সংকট চলছে। ন ছ র ব দ ভয় বহ কারণে কৃষি ও দৈনিক কাজে কম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকছে।

অপর দিকে উপজেলার অন্য দুটি ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। কৌড়িখারা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. জানে আলম বলেন, সময়মতো লাইন পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। তিনি স্বীকার করেন, ধান কাটার মৌসুম চলায় শ্রমিক সংকট দৃঢ় করে তুলেছে। ফলে বিদ্যুৎ সংকট এখনও অব্যাহত থাকছে।

“বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচ

Leave a Comment