লালমনিরহাটে স্বামীর গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে
ল লমন রহ ট স ব ম – লালমনিরহাট সদর ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রচলিত সংবাদ অনুসারে পরিবারের বিরোধ ঘটনার পরিণতিতে স্ত্রী উম্মে জান্নাত সাথী (৩২) তাঁর স্বামী হৃদয়কে (৩২) গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছেন। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ ঘটনার স্থানে পৌঁছে সদর থানা পুলিশ তাঁকে আটক করে। এই ঘটনার প্রতি খবর পেয়ে স্থানীয় সম্প্রদায় তাঁকে বেশ দ্রুত গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দুপুরে স্ত্রী হৃদয়কে ঘুমন্ত অবস্থায় অপরাধের চেষ্টা করেছেন। এই সংবাদ প্রসারিত হয়েছে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ কর্মকর্তার কাছে।
সংঘর্ষের কারণ বিষয়ে তথ্য প্রসারিত হয়েছে
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, স্ত্রী ও স্বামীর মধ্যে গত কয়েক মাসে তীব্র বিবাদ বিস্তার হয়েছে। সেই বিষয়ে সাথী অসন্তুষ্ট হয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে এ হত্যাচেষ্টা করেছেন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা সাথীকে হাতে ধরে তাঁকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে হৃদয় কর্তৃক তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আপত্তি করেছেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদ আহমেদ বলেন, ঘটনার সত্যতা তাঁদের কাছে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাথীকে হৃদয় আটক করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ও তাঁকে বাড়ি থেকে পুলিশ বাহিনী নিয়োগ করে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের মতে স্বামী ও স্ত্রী মধ্যে সম্প্রতি দুর্বলতার ঘটনা ঘটে। সাথী বলছেন যে তাঁর স্বামী সামাজিক আচরণে তিনি বিশ্বাস হারিয়েছেন। ঘটনার সময় স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে চাকু দিয়ে হৃদয়ের গলা কেটে আঘাত করেন। বর্তমানে হৃদয় সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হত্যার চেষ্টার সত্যতা পুলিশের দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে
পুলিশ তদন্ত করছে এই হত্যাচেষ্টার সত্যতা। এতে হৃদয়ের গলা চাকুর কারণে কেটে গেছে বলে সাক্ষীদের ঘোষণা রয়েছে। ঘটনার সময় উম্মে জান্নাত সাথী তাঁর স্বামী হৃদয়ের গলা উপর চাকু দিয়ে আঘাত করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দুপুরে ঘটনার সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁদের কয়েক জন বাসিন্দা। তিনি উল্লেখ করেন যে লালমনিরহাটের সম্প্রদায় এই ঘটনার প্রতি গুরুতর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
পুলিশ তদন্ত করছে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ। এতে উম্মে জান্নাত সাথী ও হৃদয়ের মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন যে পরিবারের বিষয়ে উম্মে জান্নাত ক্ষিপ্ত হয়ে এ হত্যাচেষ্টা করেছেন। ঘটনার সময় হৃদয় ঘুমাচ্ছিলেন। বর্তমানে তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। এর মধ্যে ঘটনার দৃশ্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘটনার প্রতি প্রতিক্রিয়া নোট করা হয়ে
