Sports

কষ্টার্জিত জয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, কাটল ৭ ম্যাচের জয়খরা

কষ্টার্জিত জয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, কাটল ৭ ম্যাচের জয়খরা

কষ ট র জ ত জয় স – র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছনে পিছনে থাকা মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছিল। ভারত গোটা ম্যাচে ১১ গোল করে জয় অর্জন করেছিল, কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের পরাজয়ের ধারায় থাকা সত্ত্বেও মেয়েদের সাফ সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ৪-২ গোলে জেতে।

ম্যাচের প্রথম গোল

ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশ উৎসাহে আত্মবিশ্বাস দেখায়। সুইডেনপ্রবাসী আনিকা রানিয়া সিদ্ধিকী বাংলাদেশের রক্ষণ অবিস্তারে দুর্দান্ত ক্রস করে সুন্দর গোল করেন। সাবেক অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারের কাছে দুর্বলতার চিহ্ন ছিল, কিন্তু প্রথম মিনিটে তাঁকে ডাগআউটে রেখে আনিকাকে একাদশে নামানোর কৌশল কোচ পিটার বাটলার ব্যবহার করেছিলেন। অতএব ক্রসের পর শট নিয়ে মালদ্বীপের গোলরক্ষক ফাতিমাথ সৌসান পরাজিত হন।

প্রথম গোলের পর সময়

প্রাথমিক ফলাফলের পর বাংলাদেশকে দ্বিতীয় গোল অপেক্ষা করতে হয় ৩৪ মিনিট। মালদ্বীপের ডিফেন্ডারদের ভুলে বল পেয়ে উমেহলা মারমা কোনও ভুল করেননি। ক্রস বোকা বানায় বাংলাদেশের রক্ষণ ভালোভাবে কাজ করে।

মালদ্বীপ ধারার বিপরীতে পাল্টা জবাব দিতে থাকে। গোলরক্ষকের গোলের চেষ্টায় বাংলাদেশের প্রতিরোধ প্রায় ৪৩ মিনিটে উপস্থিত হয়। অত্যন্ত দূরপাল্লার শট নেওয়া মারিয়াম নূর ব্যবধান কমান। তাঁর শটটি ক্রসবারে লেগে গোললাইনের ভেতরে পড়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে বিপদ আসে

৫৩ মিনিটে মালদ্বীপ রক্ষণ ভুল করে বল পায়। তবে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার সেই সুযোগ ব্যবহার করে সংকট এড়ায়। প্রায় ৩০ গজ দূরত্বে গোল করতে বাংলাদেশ একটি সুযোগ হারায়।

টানা সাত ম্যাচের পরাজয়ের পর বাংলাদেশ যে জয় অর্জন করেছে, তা একটি কষ্টার্জিত জয়। মালদ্বীপের অপর গোল পেয়ার পর বাংলাদেশ তাদের সামনে এগিয়ে থাকে। যখন বাংলাদেশ আবার হারার সম্ভাবনা ছিল, তখন ৬৪ মিনিটে সুরভী আকন্দ প্রীতি মালদ্বীপের গোলরক্ষককে

Leave a Comment