হরমুজে টোল আরোপে ওমান যুক্ত হলে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
হরম জ ট ল আর প ওম – মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেন যে, হরমুজ প্রণালির টোল আদায় ব্যবস্থায় ওমান যদি ইরানের সহযোগিতা করে, তবে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে বেসেন্ট জানান যে, ওমানকে বুঝানো উচিত, কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে টোল ব্যবস্থা প্রস্তাব গ্রহণের সাথে সরাসরি বা অস্পষ্টভাবে জড়িত হলে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালিতে পরিবাহিত হয়। সেই সাথে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে এই জলপথ একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ফলাফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি এবং সারের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, হরমুজ প্রণালির টোল ব্যবস্থা চালুর যেকোনো প্রচেষ্টাকে মোটেও বরদাশত করা হবে না।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি নিয়ন্ত্রণে ওমান মূলত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। ইরানের হামলার শিকার হয়েছে ওমান। পূর্বে গতকাল বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওমান এবং ইরানের যৌথভাবে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দিয়ে একটি স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চান। জবাবে ট্রাম্প ওমানকে হুমকি দিয়ে বলেন, মাসকাট যদি এমনটি করে, তবে তিনি তাদের ‘উড়িয়ে দেবেন’।
হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের এই হুমকির লক্ষ্যবস্তু বিশ্বব্যাপী আশংকা তৈরি করেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম পুরোনো মিত্র দেশ ওমান। অন্যদিকে বেসেন্টের এই হুমকি আসার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরানের নবগঠিত ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেট অথরিটি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেট অথরিটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের উদ্দেশ্যে তেহরানের গঠিত একটি কমিটি।
