ইরানে আংশিক ইন্টারনেট চালু হলেও ক্ষুব্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে
৮৮ দ ন পর ইন ট রন – প্রায় ৮৮ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানে ইন্টারনেট আবারও আংশিকভাবে চালু হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে সংযোগ ফিরে আসার পর বহুদিন ধরে আটকে থাকা বার্তা ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে ওঠে। তবে এই প্রত্যাবর্তন সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়ায় আনন্দের চেয়ে বেশি ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তার ছবি তুলে ধরেছে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বন্ধ থাকার পর ইন্টারনেট পুনরুদ্ধার হয়েছে কিন্তু অনেকে এটি স্বাধীনতার চেয়ে নিয়ন্ত্রিত নজরদারির নতুন অধ্যায় হিসেবে বিশ্লেষণ করছেন। ইন্টারনেট ফিরে আসার পর মোবাইল সংযোগ পুরোপুরি কার্যকর হয়নি এবং হোয়াটসঅ্যাপও প্রায় অচল রয়েছে।
শিল্পী এলি: পুরোনো গান শুনতে শুনতে কেঁদে ফেলেন
তেহরানের শিল্পী এলি জানান, ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে তিনি প্রথমবারের মতো অনলাইনে ফিরে পান। তিনি ও তাঁর স্বামী পুরোনো গান শুনতে শুনতে কেঁদে ফেলেন। তাঁর কথা, ‘আমরা ভেবেছি, হয়তো এটা একদিন সত্যিকারের স্বাধীনতার ছোট্ট স্বাদ।’
আলোকচিত্রী মরিয়ম: ইন্টারনেট মৌলিক অধিকার নয় উপহার
তেহরানের আলোকচিত্রী মরিয়ম বলেন, ‘পশ্চিমা গণমাধ্যম যেভাবে আংশিক ইন্টারনেট ফেরাকে উদ্যাপন করছে, তা দেখাটা বিরক্তিকর। ইন্টারনেট আমাদের মৌলিক অধিকার, কোনো উপহার নয়।’ তিনি জানান, দীর্ঘদিন কাজ না থাকায় তাঁকে বাবা-মায়ের কাছ থেকে টাকা ধার নিতে হয়েছে।
ইরানে ইন্টারনেট ফেরার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নিহতদের জানাজা, শোকাহত পরিবার এবং যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ছবি। তেহরানের অধ্যাপক আমিন বলেন, ‘আমাদের ফোনে এখন শুধু কান্নার ভিডিও। এই যুদ্ধে সবচেয়ে বড় পরাজিত আমরা সাধারণ মানুষ। আমরা হারিয়েছি জীবিকা, যৌবন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বিশ্বাস।’
আন্দোলনকারী মিনা: সীমিত সংযোগ হারিয়ে যাওয়া জীবনের আঁচ
‘এটা স্বাধীনতার লক্ষণ নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেটের আরেক রূপ,’ বলেন আন্দোলনকারী মিনা। ইন্টারনেট ফেরার পর অনেকে জানাজা ও শোক প্রকাশ করেছেন।
বিদেশে থাকা ইরানিদের মধ্যে মিশ্র অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে। প্যারিসে থাকা মানবাধিকারকর্মী মাহশিদ নাজেমি বলেন, ‘আমি খুশিও হয়েছি, আবার আতঙ্কেও ছিলাম। যাদের এখনো অন
