দর্শকদের ক্যামেরায় নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি, চীন-জাপানে তুমুল বিতর্ক
দর শকদ র ক য ম র – নারী ক্রীড়াবিদদের ব্যক্তিগোপনীয়তা ও সুরক্ষার মুখ্য বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা। এগুলো হলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি।
চীনে অনুষ্ঠিত একটি সাঁতার প্রতিযোগিতায় নারী ক্রীড়াবিদের অসাবধানতার ফলে ছবি অপরাধের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ছবিটি অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হওয়ার পর আয়োজক সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ছবিটি প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সেখানে উন্মুক্ত ছিল। প্রতিযোগীদের সংখ্যা অনেক বেশি থাকায় প্রতিটি ছবি আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে আয়োজকদের পক্ষে দাবি ছিল। কিন্তু আইনি বিশেষজ্ঞরা তাদের এই আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি।
চীনে আয়োজিত বার্ষিক ‘শিং-কুয়ান ডিশুই লেক সুইম-ক্রসিং চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নারী ক্রীড়াবিদ চেন বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি—মানুষ একে অপরের কাছে এই ছবিগুলো চাচ্ছে এবং অনেকে দাবি করছে তাদের কাছে এটি আছে। আমি এই ছবির প্রচার ও ছড়িয়ে পড়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে চাই।’
আগামী এশিয়ান গেমসের দল নির্বাচনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের অভিযোগের ভিত্তিতে জাপান ভলিবল অ্যাসোসিয়েশন (জেভিএ) টুর্নামেন্ট প্রাঙ্গণে স্মার্টফোনসহ সব ধরনের রেকর্ডিং ডিভাইস নিষিদ্ধ করেছে। গত সপ্তাহে হে কিনানে অনুষ্ঠিত ‘জাপান বিচ ভলিবল ট্যুর ২০২৬’ প্রথম দিনে কুরুচিপূর্ণভাবে ছবি তোলার প্রমাণ পাওয়ার পর এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে মূল পর্বেও নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
জেভিএ বিবৃতিতে জানায়, ‘আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা, যেখানে অ্যাথলেটরা কোনো ধরনের মানসিক উদ্বেগ ছাড়া সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে খেলায় মনোনিবেশ করতে পারেন।’ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাপানের বিচ ভলিবলে নারী অ্যাথলেটদের শরীর লক্ষ্য করে ছবি তোলার ঘটনা দীর্ঘদিনের সমস্যা হলেও সাধারণত এমন কঠোর নিষেধা�
