ফেনীতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে বিক্রি ও ক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে
ফ ন ত জম উঠ ছ পশ – বৃষ্টি ও কাদাজলের দুর্ভোগ সত্ত্বেও ফেনীর ছয়টি উপজেলায় কোরবানি পশুর বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি সম্পৃক্ত। ক্রেতারা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাটে বেড়াচ্ছেন, পশু বিক্রি করতে সময় পার করছেন বিক্রেতারা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে ফুলগাজী উপজেলার মুন্সীরহাট আলী আজম স্কুল মাঠ ও দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে জমাট বাধা দেখা যায়। সেখানে গরু ও ছাগলের সারি ঘিরে মানুষ একে অপরের পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
পশু বিক্রি করতে এসেছেন দুই বিক্রেতা
মুন্সীরহাট আলী আজম স্কুলমাঠে গরু বিক্রি করতে এসেছেন মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বৃষ্টি থাকলেও হাটে মানুষের উপস্থিতি ভালো। শেষ দিকে আরও উন্নত দাম পেতে আশা করছি। ক্রেতা আবদুল কাদের উল্লেখ করেন, কোরবানির গরু কিনতে হবে। তাই বৃষ্টির মধ্যেও হাটে এসেছি। দাম যাচাই করতে আশা করছি সামর্থ্যের মধ্যে পছন্দের পশু কিনতে পারব।
দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে নোয়াখালী-ফেনী সড়কের এক পাশ দখল করে বসেছে অস্থায়ী হাট। সেখানে ছাগল ও গরু বিক্রি করতে এসেছেন মো. শাহ আলম। তিনি জানান, প্রথমে মনে হয়েছিল ক্রেতা কম হবে, কিন্তু দুপুরের পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হাটে প্রকট হয়ে উঠেছে।
ব্যাংকের সহযোগিতায় নোট যাচাই করতে সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবারের কোরবানি পশুর হাটগুলোতে স্থায়ী ও অস্থায়ী ভাবে ১২৯টি বাজার বসেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাটগুলোকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও হাটের আশপাশে টহল জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্রেতারা যাচাই করতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য বিভিন্ন হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।
