চাঁপাইনবাবগঞ্জ: সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকছে ভারতের গরু
চ প ইনব বগঞ জ – চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পশুর হাটে অনুমোদিত নয় ভারতীয় গরু ও মহিষ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এগুলো পদ্মা নদী পার হয়ে তত্তিপুর, রামচন্দ্রপুর ও সোনাচণ্ডী পশুর হাটে পৌঁছানো হচ্ছে। সরকার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে বলে স্থানীয় দাবি।
গরু আনতে কী প্রক্রিয়া?
অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারত থেকে গরু আনার জন্য মহলদারপাড়া, নূরপুর, চানপুর ও বাহুড়া এলাকার মাঠে কাজ চলছে। গরুগুলো নদীর ঘাটে সাজিয়ে দেওয়া হয়, যারপর ডলার নামের নৌকা দিয়ে বাংলাদেশে আনা হচ্ছে।
আট বছর ভারত থেকে গরু আনে ব্যবসায় করেছি। এখন আর করি না। তবে সবাই আমার নাম ব্যবহার করে।
গরু পাচারের সময় প্রতি জোড়া পশু বাবদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। হাটে বৈধতা পেলে এক জোড়া গরু বিক্রি করতে আরও ৭ হাজার টাকা খরচ হয়।
পাচার ঘটনা বৃদ্ধি পেল কীভাবে?
সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাহফুজ মেম্বার ওসব পশুর হাটে চোরাকারবারিদের নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি বলেন, গত দুই মাসে ভারত থেকে গরু আনার কাজ বন্ধ হয়েছে।
৫৩ ও ১৬ বিজিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২০ এপ্রিল থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সাতটি বিওপি এলাকায় ভারতীয় গরু ও মহিষ পাচারের ঘটনা ধরা পড়েছে। বিওপি হলো—বিভীষণ, জহুরপুর, হাকিমপুর, ফরিদপুর, মনাকষা, মাসুদপুর ও বাখের আলী।
ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে বিশেষ তথ্য
ভারতের সীমান্তে গরু আনার কাজে নিয়মিত জড়িত রয়েছেন কুতুব উদ্দিন, খাইরুল, নয়ন, মোমিন, তোতা, মোক্তার হোসেন, বাবু, উসা গনি, টুটুল, টেক্কা ও সাইদুল। এদের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা হলেন—আবু, ফটিক, সেলিম, বাবু ও আলমগীর।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন ভারতীয় গরু সীমান্ত পেরিয়ে হাটে বিক্রি হচ্ছে কিন্তু প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না।
রাষ্ট্রীয় পরিচালনার প্রয়োজনিত তথ্য
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান বলেন, প্রয়োজন হলে সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে গরু আমদানি করবে। কিন্তু সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার হলে রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি চোরাচালান সিন্ডিকেট শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
গত এক বছরে প্রায় ১৯ কোটি টাকার পাচারকৃত সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। গরু পাচার বন্ধে আমরা শতভাগ চেষ্টা করছি।
৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তত্তিপুর হাটে ভারতীয় গরু বিক্রির ক্ষেত্র
