Business

ইআরডির প্রতিবেদন: বিদেশি ঋণ শোধে বাড়ছে দায়

ইআরডির প্রতিবেদন: বিদেশি ঋণ শোধে বাড়ছে দায়

ইআরড র প রত ব দন – বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি এবং নতুন ছাড় কমে যাওয়ার পাশাপাশি পুরোনো ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ বেড়েছে। অবকাঠামো প্রকল্পগুলির ঋণ শোধ শুরু হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার উপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ধীর হয়ে আসছে এবং সংস্কার কার্যক্রমে প্রগতি অনেক কমে গেছে। এগুলি কারণে উন্নয়ন সহযোগীরা অনেক সতর্ক হয়েছে। সম্প্রতি নতুন ঋণ আসার গতি কমিয়েছে, কিন্তু পুরোনো ঋণের দায় আরও বেড়ে চলছে।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, কয়েক বছর আগে করা বড় বড় প্রকল্পগুলির ঋণ আগের পরিশোধের সুবিধা শেষ হয়ে গেছে। ফলে নিয়মিত কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ঋণ বোঝা আরও বেড়েছে। অনেক প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি, যার ফলে দায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমান অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বিদেশি ঋণ শোধের পরিমাণ ছিল ৩৮০ কোটি ২৩ লাখ ডলার। দেশীয় মুদ্রায় এটি প্রায় ৪৬ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ শোধের পরিমাণ ছিল ৩৫০ কোটি ৭১ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা প্রায় ৪২ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে ঋণ শোধের চাপ বেড়েছে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকার পরিমাণ।

“বিদেশি ঋণ ছাড় কমে গেছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি অর্থনীতিবিদদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়েছে। অর্থ ছাড় আগে সংস্কার, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে নতুন ঋণ বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।” বলেন সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ছাড় হয়েছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার। তবে এই সময়ে ছাড় হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৮৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। তার তুলনায় ছাড় কমেছে ৪৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছাড় হয়েছিল ৫১৬ কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সে হিসাবে এক বছরে নতুন ঋণ ছাড় কমেছে প্রায় ৯৩ কো

Leave a Comment