Education

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি (পর্ব-১)

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি (পর্ব-১)

শ ষ ম হ র ত র – বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটশিপ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শেষ মুহূর্তে নিয়মিত অধ্যয়ন ও কার্যকর পুনরাবৃত্তি সম্পূর্ণ প্রস্তুতির কী করণীয় হতে পারে তা দেখায়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহসিন খান অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ দিয়েছেন যে কোনো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ক্রমবর্ধমান অধ্যয়ন, সঠিক পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। এই সময়ে কীভাবে নিজেকে স্থায়ী অবস্থায় রাখা যায় তা জানতে শাহ বিলিয়া জুলফিকার তাঁর পরামর্শ প্রদান করেছেন।

পরীক্ষার বিষয় ও প্রশ্নের সংখ্যা

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রতিটি পরীক্ষার্থী দুটি মূল সামগ্রীর উপর পরীক্ষা হয়ে থাকে। মোট সাতটি বিষয়ে প্রশ্ন বিতরণ করা হয়েছে যেমন— ১. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ থেকে ২০টি প্রশ্ন, ২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ থেকে ১০টি প্রশ্ন, ৩. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ থেকে ২০টি প্রশ্ন। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ থেকে ২০টি, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ থেকে ১৫টি এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ থেকে ১০টি প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পেশাগত আচরণ, বার কাউন্সিল রুলস ও লিগ্যাল ডিসিশন থেকে আরও পাঁচটি প্রশ্ন পরিকল্পিত হয়েছে।

পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে অধ্যায়গুলো দুটি ঘণ্টা পড়ার প্রয়োজন। মূল আইনের পাঠ ও ব্যাখ্যা নিয়মিত করুন। প্রতিটি প্রশ্নের পেছনে যে আইনগত যুক্তি বিদ্যমান, তা স্পষ্ট বুঝার চেষ্টা করুন।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বৈশিষ্ট্য

বার কাউন্সিল পরীক্ষার তিনটি ধাপের মধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সবচেয়ে কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক মুহূর্ত। এই পরীক্ষার পূর্ণমান হলো ১০০ এবং উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ৫০ নম্বর প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে পাস করার হার মাত্র ২০-৩০ শতাংশ। এটি নির্দেশ করে যে প্রতিযোগিতা অত্যন্ত তীব্র। পরীক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত অধ্যয়ন ছাড়া প্রায় সবাই পাস করতে পারে না। এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করার চেয়ে বিষয়ের মূল ধারাগুলো বুঝতে জোর দিতে হবে।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য প্রতিদিনের অধ্যয়ন কাঠামো মেনে চলা আবশ্যক। মূল আইন বা বেয়ার অ্যাক্ট অন্তত দুই ঘণ্টা পড়ার প্রয়োজন। এমসিকিউ অনুশীলন প্রতিদিন নিয়মিত করুন। প্রতিদিন ৫০-১০০টি প্রশ্ন সমাধান করলে পরীক্ষার হলের জড়তা

Leave a Comment