পটুয়াখালীতে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে, ইমামকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে
পট য় খ ল ত শ এলাকার ঘটনা গুরুতর হয়েছে
পট য় খ ল ত শ শ – পট য় খ ল ত শ জেলার কলাপাড়া এলাকায় শিশুদের প্রতি যৌন অপরাধের অভিযোগ আবারও চোখে পড়েছে। অভিযুক্ত হয়েছেন মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের দিয়ার আমখোলাপাড়া জামে মসজিদের ইমাম। শনিবার (২৩ মে) সকালে ওই ইমামকে স্থানীয় মানুষ আটক করে এবং জনরোষের মুখে পড়তে বাধ্য করেছেন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় মানুষ এবং স্কুল স্টাফ একত্রিত হয়ে জনপ্রিয় আচরণে পুলিশকে সূচনা করেছেন।
অভিযোগ এবং পুলিশের কার্যক্রম
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম হাওলাদার জানান যে ভুক্তভোগী শিশুর পিতার অভিযোগে ক্ষেত্রে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ইমাম কিছুদিন ধরে শিশুদের মন ভুয়া করে চালিয়ে আসছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মক্তবে পড়াশোনা করতে আসা শিশুদের উপর যৌন শিক্ষা দিচ্ছিলেন। পুলিশ তাঁকে কলাপাড়া আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনা কলাপাড়া এলাকার সম্প্রতি প্রকাশিত অভিযোগ এবং আদালতের সিদ্ধান্তের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।
অভিযোগের প্রকৃত পরিচয়
পট য় খ ল ত শ এলাকায় অভিযোগের মূল কারণ হল ইমামের প্রতি দীর্ঘ সময় ধরে সন্দেহ জাগানো হয়েছিল। কিছু দিন ধরে মানুষের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে সাধারণ মতামত জনমতের সাথে একত্রিত হয়েছিল। অভিযোগ আসামি শিশুদের মনে কৌতূহল জাগিয়ে দিয়েছিল এবং তাঁকে ধরাধরি করার জন্য সামনে আসছে। এ সম্পর্কে পরিচয় দেয়া হয়েছে যে অভিযোগ করা শিশু ওই মক্তবে পড়াশোনা করছিল।
স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া
“এ অভিযোগ শিশুদের কাছ থেকে প্রকাশিত হওয়ার পর অভিভাবক ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাঁরা ইমামের এ কর্মকাণ্ড ধরার জন্য বেশ কিছুদিন ধরে ওত পেতে ছিলেন। আজ সকালে তাঁকে হাতেনাতে ধরা পড়ার পর জনরোষের মুখে পড়েন তিনি।”
পট য় খ ল ত শ এলাকার সম্প্রদায় ওই ইমামের বিরুদ্ধে এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অভিযোগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেন ইমাম ছাত্রদের সামনে যৌন শিক্ষা দিয়ে আসছিলেন যার ফলে শিশুদের ভয় জাগিয়েছিল। তিনি মাস বা বছর ধরে এ কাজে লাগানো হয়েছিল বলে স্থানীয় মানুষ আশা করছেন যে পুলিশ তাঁকে চেনার জন্য কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। অভিযোগে পুলিশের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এলাকার কিছু কর্মকর্তা তদন্ন শুরু করেছেন।
পুলিশের তদন্ন বিস্তার
পট য় খ ল ত শ এলাকার সত্যতা যাচাই করার জন্য
