Bangladesh

ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

Foto : Michael Williams - banglajibon.com
Table of Contents
  1. ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
  2. ঠিকাদারের কাছে ক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

Banglajibon.com – ঠ ক দ র র ক ছ – ঠিকাদারের কাছে প্রবেশ করতে চাইলে আরও সুন্দর কথা বলতে হয়। পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজে অংশ নিতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার রফিজ উদ্দিনের কাছে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ উঠে আসে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশ করেছিলেন এবং তাঁদের চাঁদা প্রদানের জন্য স্থানীয় এলাকার ম্যানেজার রকিবুর রহমানের কাছে প্রতিবাদ করেছিলেন।

ঠিকাদারের কাছে ক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে হেমায়েতপুরে আড়াই শত কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মাণ কাজ চলছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দেওয়া হয়নি বলে অভিযুক্তরা নিরাপত্তাকর্মীদের পর প্রতিবাদ করেছিলেন। অভিযোগ উঠে আসার পর তারা অফিসের ড্রয়ারে থাকা এক লাখ টাকা নিয়ে ভাঙচুর করে চলে যায়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহত দুই নিরাপত্তাকর্মীকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশের অভিযান ও গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতভর পুলিশ গোয়েন্দা শাখা ব্যবহার করে মামলার এজাহারনামীয় তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের নাম হলো সাধুপাড়া ঝুটপট্টি এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মাসুদ রানা ওরফে কিলার মাসুদ (৩৫), রুস্তম আলির ছেলে সজল আলি (৩২) এবং আব্দুর রহিমের ছেলে ইসমাইল হোসেন ওরফে নকশাল ইসমাইল (৩৫)। ঠিকাদারের কাছে ক্ষুব্ধ অভিযোগ এবং মারধরের ঘটনা সম্পর্কে তদন্ত চলছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান আরও জানান, মামলা নম্বর ৩৪ এর বরাতে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা চলছে। ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি এবং অপরাধের ঘটনার তদন্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সুপার মো. ছুফি উল্লাহ কর্তৃক নির্দেশ পেয়ে তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ নিয়ে সংঘটিত ঘটনার প্রকৃত কারণগুলো পুলিশ তদন্ত করছে। প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ বাড়ানো হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ প্রকাশ করেছেন যে নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশ করার জন্য ঠিকাদারের কাছে অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করা হয়। এই ঘটনার পর তাদের সহযোগীদের সাথে মারধরের ঘটনা ঘটে।

ঠিকাদারের কাছে প্রবেশ করার সময় প্রতিষ্ঠানের সীমান্ত সংক্রান্ত বিতর্ক উঠে আসে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মারধরের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা তাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার পর এদের গ্রেপ্তার করা হয়। ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি এবং অপরাধের ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তদন্ত চলছে।

ঠিকাদারের কাছে নির্মাণ কাজে প্রবেশ করার জন্য চাঁদা দাবি করা হয়েছে এবং তার পর মারধরের �

Leave a Comment