মানিকগঞ্জে অশ্লীল কনটেন্ট ছড়ানোর আরোপে তিন ব্যক্তি গ্রেপ্তার
এড ট কর অশ ল ল কনট – মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার এক মহিলার ছবি বিকৃত করে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি করার অভিযোগে তিন ব্যক্তি গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার সম্পর্কে অভিযোগ দায়ের করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বিষয়টি তদন্ন করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারিত ব্যক্তিদের মধ্যে বিজয় মেলার মাঠ এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট তৈরি করেছেন যার মাধ্যমে মহিলার ছবি ব্যবহার করা হয়। গোপনে ছড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কায় ভুক্তভোগী ব্যক্তির কাছে প্রায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে।
অপরাধের প্রক্রিয়া ও অভিযোগের প্রমাণ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার শুরুটি চর ঘোস্তা গ্রামে রাজমিস্ত্রির কাজে সেলিম মিয়া (২৮) ব্যক্তির মোবাইল থেকে ব্যক্তিগত ছবি সংগৃহিত করে। পরে ওই ছবিগুলো সম্পাদনা করে এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট তৈরি করা হয়। এই কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাবি করা হয়েছে ভুক্তভোগী ব্যক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। আইনে অপরাধ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কেউ কেউ অপরাধে জড়িত কি না তা তলুচ করা হচ্ছে। অপরাধের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর মনোভাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যায়।
“এই ঘটনার জন্য মানিকগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে। এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট ছড়ানোর সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া তদন্তের অধীনে আছে। আরও কেউ কেউ এই ঘটনার সংগঠনে জড়িত আছেন বলে পুলিশ ধারণা করছেন।” জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালো এ বিষয়ে জানান।
গ্রেপ্তারিত ব্যক্তিদের মধ্যে সিংগাইর উপজেলার সাদ্দাম হোসেন (৩০) ও ইয়াসিন (৩২) রয়েছেন। এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট ছড়ানো অভিযোগে তাঁদের দায়িত্ব স্বীকার করা হয়েছে। পুলিশ তাঁদের কনটেন্ট সৃষ্টি প্রক্রিয়া এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তির নাম তদন্তের ফলে জানা যাচ্ছে। এই ঘটনার প্রতিবেদন দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রসারিত অপরাধ
এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট তৈরি করে ব্যক্তিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ছড়িয়ে দিয়েছেন। এই কনটেন্ট বিভিন্ন প্রতিবেদন ও আলোচনা প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ সার্বিক সমস্যা তুলে ধরেছে। অপরাধ ঘটার পর ভুক্তভোগী ব্যক্তি তাদের সংক্রান্ত চাঁদা দাবি করেন যা আইনগত চাপে আরও বেশি উঠে আসছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত হয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলার এখন পর্যন্ত এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট সংক্রান্ত কয়েকটি মামলা হয়েছে। এই অপরাধ বাড়ছে বলে সূত্রে জানা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়েছে ছবি ও ভিডিও যেগুলো এড ট কর অশ ল ল কনটেন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়
