বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে কী সারপ্রাইজের জন্য
ব ল র শ প রম ণব – গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনুষ্ঠিত একটি যৌথ সামরিক মহড়াতে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন। এই মহড়ায় রাশিয়ার বিশাল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং পারমাণবিক সাবমেরিন সহ অংশগ্রহণ করেছে। পাশ্চাত্যে ইউরোপের শেষ স্বৈরশাসক বলে পরিচিত এই নেতা ১৯৯৪ সাল থেকে বেলারুশে ক্ষমতায় রয়েছেন।
মহড়া শেষে লুকাশেঙ্কো বলেন, “আমরা কাউকে হুমকি দিচ্ছি না। কিন্তু আমাদের কাছে এমন অস্ত্র আছে যেগুলো দিয়ে আমরা বেলারুশের ব্রেস্ট শহর থেকে রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তক পর্যন্ত মাতৃভূমি রক্ষা করতে প্রস্তুত।”
রাশিয়ার পারমাণু অস্ত্র পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে
মহড়ার অংশ হিসেবে মস্কো ইতিমধ্যে মিনস্ককে পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম মোডিফাইড ‘সু-২৫’ ফাইটার জেট এবং ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ‘ইস্কান্দার-এম’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে। জার্মানির ব্রেমেন ইউনিভার্সিটির গবেষক নিকোলে মিত্রোখিন আল জাজিরাকে বলেন, “কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে ঘটনাগুলো ঘটছে। হয়তো ভেতরে-ভেতরে আরও বড় কোনো ঘটনা ঘটছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং গণমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে যাচ্ছে।”
আর্কানগেলস্ক অঞ্চল থেকে উৎক্ষেপণের মাত্র ২০ মিনিটেরও কম সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি ৫ হাজার ৭৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের কামচাটকা উপদ্বীপে পৌঁছে নিখুঁতভাবে আঘাত হানে। এই সামরিক ক্রিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট গত বুধবার সতর্ক করে বলেছেন, মস্কো যদি ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে তবে ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া হবে ‘বিধ্বংসী’। এদিকে আজ শুক্রবার সুইডেনের হেলসিংবার্গে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাশিয়ার এই মহড়া সেই সম্মেলনকে লক্ষ্য করেই করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও রাশিয়া ও বেলারুশ দাবি করেছে, সম্ভাব্য (নির্দিষ্ট নয়) ‘আগ্রাসনের হুমকি’র জবাবে এই মহড়া চালানো হয়েছে। তবে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করেছেন যে মস্কো হয়তো বেলারুশকে ব্যবহার করে উত্তর দিক থেকে ইউক্রেন ও কিয়েভে বড় ধরনের আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে এই পারমাণবিক অস্ত্রের জুজু দেখাচ্ছে।
“কেবল বেলারুশের বাহিনী নিয়ে ইউ
