Politics

যুবদল ও ছাত্রদলের ৮ নেতা-কর্মীর নামে মামলা দিয়ে ঝিনাইদহ ছাড়লেন পাটওয়ারী

পাটওয়ারী ঝিনাইদহ ছেড়ে যান যুবদল ও ছাত্রদলের আট নেতা-কর্মীর নামে মামলার প্রতিশোধে

য বদল ও ছ ত রদল র – জেলা প্রশাসন এবং যুবদল ও ছাত্রদলের আট নেতা-কর্মী বিরোধী দলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ে ঝিনাইদহ থেকে পাটওয়ারী ছেড়ে যান। এই ঘটনার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তোপের মুখে পড়েন। তিনি এবং তাঁর সাথীদের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কর্মসূচি শুরু করেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর তারা কালো রঙের মাইক্রোবাসে ঝিনাইদহ থেকে ছেড়ে চলে যান।

হামলার পর সামাজিক গোটা বিপ্লবের আগুন জ্বালিয়ে দেন নেতারা

অ্যাক্টিভিস্টদের দাবি অনুযায়ী, যুবদল ও ছাত্রদল কর্মসূচির সময় ঝিনাইদহে হামলা এবং ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ একটি কার্যক্রম আরম্ভ করে যা অনেক কর্মীকে আটক করে। কিন্তু কর্মীরা তোপের মুখে পড়ে অস্থায়ী আটক হয়। সেই বিপ্লব আগুন জ্বালিয়ে দেয়ার জন্য তারা সদর থানায় বেশ কিছু কর্মীকে তার প্রতি হামেলা করে।

বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে নাসীরুদ্দীনকে আটক করতে হবে, না হলে ছাত্রদল দায়িত্ব হাতে তুলে নেবে।”

মামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য একটি বিস্তারিত তদন্ত চালু করা হয়। যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে পাটওয়ারী প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশোধে তাদের কর্মসূচি বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তারা মামলার মাধ্যমে নিজেদের সম্পর্কে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করে।

নেতাদের গুরুতর দাবি রয়েছে

যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা মামলার প্রতিশোধে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মতে, যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা পুনরায় ঘটে যাচ্ছে। তাদের কর্মসূচি শুরু হওয়ার সময় সামাজিক সংঘর্ষ এবং নাগরিক স্বাধীনতার দাবি বাড়ছে।

ঘটনার পর বিএনপির সিনিয়র নেতারা সামাজিক গোটা বিপ্লবের আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে চান। তাদের দাবি অনুযায়ী, পাটওয়ারী কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করে দেওয়া হয়েছে যুবদল ও ছাত্রদলের সাথে বিপ্লব চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। সরেজমিনে দেখা যায়, মামলা প্রত্যাহারের দাবি তুলে ধরে নেতারা কার্যক্রমে সাথে থাকেন।

আগে আজ জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহ পুরাতন ডিসি কোর্ট মসজিদের সামনে হামলা ঘটে। যুবদল ও ছাত্রদল একটি স্থায়ী কার্যক্রম নেওয়ার পর কর্মীদের জন্য পুরো এলাকার স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে। তারেক রেজা যুগ্ম সদস্যসচিব ও অজ্ঞাতনামা ১০০ জনকে আসামি করেন। মামলাটি সম্পূর্ণ করে নেওয়ার পর নেতারা ঝিনাইদহ থেকে পালিয়ে যান।

এই ঘটনার পর ঝিনাইদহ কর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের সম্পর্কে উঠে আসে। যুবদল ও ছাত্রদলের সাথে সম্পর্ক বিভিন্ন সংগঠন আরও গুরুতর করে দেওয়া হয়। পাটওয়ারী

Leave a Comment