Bangladesh

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় ৩১ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

হ ব প রব ত সে সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার ঘোষণা

হ ব প রব ত স ঘর – হাবিপ্রবিতে বুধবার রাত আড়াইটার দিকে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে নূর হোসেন হল থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ হলে হামলা চালায়। অপারেশন প্রক্রিয়ায় নামাজঘর ও হলের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর ঘটে, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আসবাব বিস্তারিত হয়। ঘটনার পরিণতি হিসেবে হাবিপ্রবিতে সাময়িক বহিষ্কারের নির্দেশ জারি করা হয়।

সিদ্ধান্ত ও অবস্থার মূল্যায়ন

হাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো. নওশের ওয়ান জানান, ভিডিও ফুটেজ এবং সাক্ষীদের সত্যায়নের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৩১ জনকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

“ভিডিও ফুটেজ ও সাক্ষীদের সত্যায়নের ভিত্তিতে হ ব প রব ত সে সংঘর্ষের পরিণতি দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমানোর জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি,”

প্রশাসনের ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের বিকেল ৪টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের এ সিদ্ধান্তের আওতায় রাখা হয়নি।

পরিস্থিতি ও বিস্তারিত বিবরণ

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ ঘটার পর প্রশাসনের কাছে অপারেশন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়। এ সময় ক্ষতিগ্রস্থ আসবাব ও সিসিটিভি ক্যামেরা আবার আনার ব্যবস্থা করা হয়। অনুসন্ধানের ফলে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী দোষী ঘোষিত হয়, যারা প্রতিষ্ঠানের ডিসিপ্লিন আইন অনুযায়ী বহিষ্কার করা হয়।

হাবিপ্রবিতে সাময়িক বহিষ্কারের আদেশের ফলে সব আবাসিক হল অবরোধ করা হয়। প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে সংঘর্ষের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়। পরে ক্ষতিগ্রস্থ আসবাব ও সিসিটিভি ক্যামেরা আবার আনার ব্যবস্থা করা হয়।

হাবিপ্রবিতে ঘটনার পরিণতি হিসেবে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের আদেশ জারি করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ কর্মচারীদের মোতায়েন করা হয়েছে। তারা সংঘর্ষের প্রক্রিয়া বন্ধ করতে সাহায্য করছেন।

হ ব প রব ত সে সংঘর্ষের আরও তদন্ন চালানো হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করেন যে সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষীদের সত্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রাপ্ত হয়েছে।

Leave a Comment