নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
ঢাকা মহানগরে নাগরিক পার্টির সভা এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া
ন র ব চন র পর আইনশ – নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে এবং এটি দেশের নাগরিক নিরাপত্তার ক্ষতি করছে বলে মনে করা হচ্ছে। এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ শুক্রবার ঢাকা মহানগরে তাদের একটি বৃহৎ সভা পরিচালনা করেন যেখানে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক এবং প্রকৌশলীদের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার মানুষ উপস্থিত হন। তিনি দাবি করেন যে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ হওয়ার জন্য নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবস্থা কুস্তিয়া হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে জনগণের আশা ছিল যে দেশে আইন ও ন্যায়বিচারের মান বৃদ্ধি পাবে, কিন্তু বর্তমানে সেটি আরও দুর্দান্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের পর জনগণ পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছিল, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবস্থা আরও কুস্তিয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়া ক্ষমতার রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের কাজে নেই কোনো ফল সেখানে। তিনি বলেন যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন না, কিন্তু সামন্ত রাজনীতির সমর্থন পেয়ে বেশি প্রভাব রাখছেন। এ অবস্থায় কোনও রাজনৈতিক দল বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য মতাদর্শীদের দমন করার সুযোগ দেবে না।
জুলাই অভ্যুত্থান এবং প্রাকৃতিক স্বাধীনতা গ্রহণ বিষয়ে দেশব্যাপী চিন্তা জাগছে
নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার দুর্গতি অনুভূত হচ্ছে। আসিফ মাহমুদ জানান যে জুলাই অভ্যুত্থানের পর যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও দূর পিছনে যায়, তখন ভবিষ্যে ক্ষমতায় আসা প্রতিষ্ঠান স্বৈরাচার বৃদ্ধি করবে। তিনি আরও বলেন যে বর্তমান সরকারের পক্ষে নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কুস্তিয়া হওয়ার কারণ হচ্ছে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বৈধতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন যে নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবনতি বিএনপির কারণে হয়েছে।
সভার সভাপতিত্ব করেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান এবং পরিচালনা করেন যুগ্ম সদস্যসচিব শাহরিন ইরা। তিনি বলেন যে তরুণ দলগুলি এখন আরও জাগ্রত হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে। বিশ্বে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলনে আঁকিয়ে উঠছে এবং এটি বাংলাদেশে স্থান পেয়েছে।
