Politics

দেশে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে এনসিপির মশাল মিছিল

Table of Contents
  1. দেশে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে এনসিপির মশাল মিছিল
  2. মিছিলের গুরুত্ব এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া

দেশে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে এনসিপির মশাল মিছিল

দ শ ধর ষণ ও হত য – ঢাকা মহানগর উত্তরের এনসিপি নেতা-কর্মীদের দ্বারা আয়োজিত মশাল মিছিলের প্রধান দাবি ছিল দেশে সকল ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও ন্যায্য বিচার করা। মিছিলটি বাংলামোটর থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সংগঠিত হয়, যেখানে রাজধানীর পল্লবী ঘটনার প্রতি গুরুত্ব আকর্ষণ করে এনসিপি নেতারা তাদের দাবি ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট করে বলা হয় যে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সরকার ক্রমবর্ধমান ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মিছিলের গুরুত্ব এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া

এ মিছিলে দেশের নারীদের প্রতি প্রতিকূল পরিস্থিতি বিষয়ে উল্লেখ করা হয়। ক্যান্টনমেন্টে তনু, মুনিয়া বা ঢাবির ছাত্রীদের হত্যার ঘটনাগুলি তাদের দাবির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পল্লবী থানার এনসিপি প্রধান সমন্বয়কারী রেহেনা আক্তার রুমা জানান যে এ মিছিলটি সমাজের মধ্যে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গৃহীত প্রতিশ্রুতি পুনরায় আলোচনার জন্য করা হয়েছে।

ঐ অনুষ্ঠানে নেতাদের আহ্বায়ক ও কর্মীরা প্রতিটি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা কেন্দ্র করে সামাজিক আতঙ্ক সম্পর্কে সমীক্ষা তৈরি করেন। তাদের দাবি ছিল সরকার ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের সম্মান ও স্বাধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য অর্থনীতি ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও তাদের আহ্বায়কদের কর্মসূচি অনুসারে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা অনুসন্ধানের জন্য ক্রমাগত কর্মসূচি চালানো হবে।

নেতাদের কথাসমূহ ও দাবিগুলি

“মিরপুরের পল্লবীতে শিশুটি, ক্যান্টনমেন্টে তনু, বসুন্ধরায় মুনিয়া বা ঢাবির ছাত্রীদের হত্যার শিকার হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে নেতাকে খুশি করার নামে যৌন নিপীড়ন ঘটে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দলের তদন্ত করে সকলকে আটক করতে হবে। দেশে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার করার জন্য আমাদের প্রতিক্রিয়া করতে হবে,” বলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।

ঐ সমাবেশে আরও বলা হয়েছে যে এনসিপি দেশে নারীদের ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। তাঁদের ক্ষেত্রে সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখতে হবে। এ দাবি নেতাদের কর্মীরা প্রতিটি স্লোগানে আলোকিত করেন।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নারীশক্তি কেন্দ্রীয় সদস্য তাহমিনা শারমিন জুথি, ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক, ওয়াহিদ আলম, খালেদা আক্তার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নুর আমিন খান এবং পল্লবী থানার এনসিপি প্রধান সমন্বয়কারী রেহেনা আক্তার রুমা প্রমুখ। তাঁদের কথাসমূহে বোঝা গেল যে দেশে নারীদের জন্য বিচার ব্যবস্থা তৈরি করা আবশ্যক।

এ মিছিল দেশে নারীদের মুক্তি ও সমান সুযোগ বিষয়ে মহামান্য বিষয়গুলি তুলে ধরে। আরও বলা হয়েছে যে সরকার সকল রাজনৈতিক দলে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল গঠন করতে হবে। এনসিপি নেতারা এ বিষয়ে অবিলম্বে ক্রমবর্ধমান বিচার প্রক্রিয়া

Leave a Comment