নেতানিয়াহুকে যা করতে বলব, তিনি তা-ই করবেন: ট্রাম্প
ন ত ন য় হ ক য – গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্তে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর স্বাক্ষরিত প্রস্তাব মেনে চলবেন। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু খুব ভালো মানুষ। আমি যা করতে বলব, তিনি তা-ই করবেন। তিনি যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য কূটনৈতিক ভাবে এই ইস্যুগুলি সমাধান করবেন।’
আমি তাঁকে যা করতে বলব, তিনি তা-ই করবেন।
গত মঙ্গলবার নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্পের মধ্যে ঘটে যাওয়া ফোনালাপের পর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কখন শেষ হবে। ট্রাম্প জবাবে বলেছিলেন, ‘এটি হবে যৌথ সিদ্ধান্ত।’ কিন্তু যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর নেতানিয়াহুর মাথায় আগুন ধরে গিয়েছিল বলে দুটি মার্কিন সূত্র মন্তব্য করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে একটি নতুন মধ্যস্থতা উদ্যোগের বিষয়ে অবহিত করেন। কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি আনার চেষ্টা করছে। কাতার ও পাকিস্তান যৌথভাবে এ প্রস্তাব তৈরি করেছে এবং সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর সহ আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মত যুক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ সই করবে। এ দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে এবং পরবর্তী ৩০ দিনের আলোচনার পথ খুলবে।
আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সীমা নির্ধারণ হবে। কয়েক দিন ধরে মধ্যস্থতাকারীরা পাকিস্তানের সর্বশেষ প্রস্তাবের বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় মেটানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কাতার সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কাছে আরেকটি খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে বলে দুটি আরব সূত্র এবং একটি ইসরায়েলি সূত্র মন্তব্য করেছে। কিন্তু কাতারের আরেকটি সূত্র দাবি করেছে যে আলাদা কোনো কাতারি খসড়া নেই। দোহা কেবল পাকিস্তানের খসড়াটিকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করছে।
নেতানিয়াহু এই কাঠামো নিয়ে সন্দিহান ছিলেন বলে দুটি ইসরায়েলি সূত্র মন্তব্য করেছে। তাঁর বিশ্বাস, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেশটির শাসনব্যবস্থাকে আরও
