National

বেসরকারি খাত: সুরক্ষিত হচ্ছে চাকরি-সুবিধা

বেসরকারি খাত: চাকরি সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে

ব সরক র খ ত – বেসরকারি খাতের কর্মচারীদের প্রাপ্য ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার বিধিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে ছুটি, অযৌক্তিক চাকরি অপসারণ, কর্মচারীদের ন্যায্য বেতন ও স্থায়ী নিয়োগপত্র প্রদানের নিশ্চয়তা সৃষ্ট হবে।

নিয়মিত কর্ম শর্তগুলি সুনির্দিষ্ট করা হবে

বেসরকারি খাতে কাজ করা সব কর্মিদের মাঝে মূল্যবান বিষয়গুলি একত্রিত করে নতুন বিধিমালা তৈরি করা হবে। তা হবে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কে স্পষ্ট বিধি নিশ্চিত করে। আইন পরিপালন করে চাকরি চালু রাখার ব্যবস্থা এবং কর্মশক্তি বৃদ্ধি এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের চাকরি সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয় দূর করতে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

এ জন্য বেসরকারি সার্ভিস রুলস প্রণয়নে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহ প্রক্রিয়া চলছে। সভায় সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করেছেন। আরও তিনটি খাত প্রাতিষ্ঠানিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সেগুলো সম্পর্কে সরকারি উদ্যোগ পরিচালনা করা হয়নি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো তথ্য অনুযায়ী দেশে কাজ করেন ৬ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার মানুষ। তাঁদের মধ্যে ৬৬.৪ শতাংশ বেসরকারি খাতে কাজ করেন, ৪.৭ শতাংশ সরকারি খাতে। বাকি খানাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের কর্মী।

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুরক্ষা সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

সভায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী বলেন, বর্তমান শ্রম আইন বেসরকারি খাতে প্রযোজ্য নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মশক্তি নির্ধারণে অস্পষ্টতা দেখা দেয়। এ জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করে সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহ প্রস্তাবিত বিধিমালার বিষয়ে বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম আইনে বাংলাদেশের যেসব অসংগতি রয়েছে তা সংশোধনের জন্য বিবেচনা করা হবে।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ কুদ্দুছ আলী বলেন, বেসরকারি খাতের কর্মীদের চাকরি চালু রাখা হচ্ছে না। মালিকেরা যেকোনো কর্মীকে অপসারণ করতে পারেন। তার কারণে বর্তমান আইন ও বিধিমালার কিছু ক্ষেত্রে কর্মিদের স্বার্থ রক্ষা করতে সক্ষম হচ্ছে না।

Leave a Comment