ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: অনুমোদন ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করে চলেছে ডাকসু
Table of Contents
অনুমোদন ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক
Banglajibon.com – ঢ ক ব শ বব দ য – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢ ক ব শ বব দ) প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই দুটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ডাকসুর বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বুধবার ‘আর্তনাদ’ নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করা হয়। এর আগে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের স্মরণে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে আরেকটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য, দুটি স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রেই তাদের অনুমতি নেওয়া হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন বলেন, অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ প্রশাসনিক কাঠামো ও শৃঙ্খলাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। তাঁর মতে, ডাকসু শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন হলেও প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে নিজস্ব সিদ্ধান্তে কাজ করার সুযোগ নেই।
“বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যদি একটি পক্ষ প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো ও শৃঙ্খলা দুটোই প্রশ্নের মুখে পড়ে।” — অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতন
আইন ও বিধিবিধানের প্রশ্ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর অনুচ্ছেদ ২৪ (ক) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও তহবিল ধারণ, নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিন্ডিকেটের ওপর ন্যস্ত। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড রেগুলেশনসের চতুর্দশ অধ্যায়ের ৪ নম্বর ধারার নোট অনুযায়ী, ছাত্র সংসদকে উপাচার্যের নির্দেশনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। প্রশাসনের বক্তব্য, এসব বিধানের কারণে ক্যাম্পাসে স্থাপনা নির্মাণে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন জরুরি।
উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘নির্ভীক জুলাই’ ও ‘আর্তনাদ’ নির্মাণের জন্য প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গাছ লাগাতেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় অনুমতি নিতে হয়; তাই স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে।
ডাকসুর বক্তব্য ও প্রশাসনের জবাব
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ দাবি করেন, দুটি স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে ডাকসুর নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছিল এবং সেখানে ডাকসুর সভাপতি হিসেবে উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, উপাচার্য এ বিষয়ে আপত্তি বা বিরোধিতা করেননি।
তবে উপাচার্য বলেন, নির্বাহী কমিটির সভায় কোনো প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়া মানেই সেটি অনুমোদিত হওয়া নয়। কোথায় স্থাপনা হবে, কখন হবে, অর্থায়ন কে করবে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত দরকার। তাঁর ভাষ্য, এ বিষয়ে তাঁর কোনো সম্মতি ছিল না এবং তাঁর কাছে অনুমতিও চাওয়া হয়নি।
এর আগে ডাকসু সংগ্রহশালায় মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ও তৎকালীন ছাত্রসংঘের নেতা আবদুল মালেকের ছবি রাখা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উল্লেখযোগ্য ছবি অপসারণ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ বলেছিল, ডাকসুর সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রম প্রচলিত আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মোজাদ্দেদী আলফেসানী বলেন, ডাকসু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান মানেনি এবং প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢ ক ব শ বব দ ক্যাম্পাসে অনুমোদনবিহীন স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি তাই প্রশাসনিক ও আইনি আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।
সাধারণ প্রশ্ন
স্মৃতিস্তম্ভ দুটি কী নামে পরিচিত?
দুটি স্মৃতিস্তম্ভের নাম ‘নির্ভীক জুলাই’ ও ‘আর্তনাদ’।
প্রশাসনের অভিযোগ কী?
প্রশাসনের অভিযোগ, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি।
ডাকসুর অবস্থান কী?
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দাবি, বিষয়গুলো নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছিল। তবে উপাচার্য বলেছেন, আলোচনা অনুমোদনের সমান নয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ঢ ক ব শ বব দ য?
ঢ ক ব শ বব দ য is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ঢ ক ব শ বব দ য matter?
ঢ ক ব শ বব দ য matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
