National

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরও দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

Untitled-1_Oqqe4zB
Foto : Michael Williams - banglajibon.com
Table of Contents
  1. প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর দ্রুত সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন: ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর দ্রুত সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন: ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

Banglajibon.com – প রধ নমন ত র ত র – বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা ও দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিরসনের ক্ষেত্রে তাঁর আশাবাদী অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রোববার রাতে রাজধানীর বারিধারায় আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি এই মর্মে মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তাঁর স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্যের উত্তরে হাইকমিশনার দ্বিদেশীয় সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ও ভারত শুধু একটি সীমান্তই ভাগাভাগি করে না, তারা বাস্তবে এক অভিন্ন স্বপ্নও ভাগাভাগি করে নেয়।

গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ ও ‘সোনালি অধ্যায়’র স্বপ্ন

দুই দেশের সম্পর্কে বিদ্যমান অসম্মততার সমাধান নিয়ে ত্রিবেদী বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই কেবল এইসব সমস্যা নিরসন সম্ভব এবং তিনি এ বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। দুই দেশের জনগণের হৃদয় পরস্পরের খুব নিকটবর্তী বলে তিনি মনে করেন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি ‘সোনালি অধ্যায়’ দেখতে চান।

সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক পার্থক্যের প্রশ্নে হাইকমিশনারের বক্তব্য ছিল স্পষ্ট:

আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, তাহলে সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন……।

আমাদের নিজেদের জাতিগত প্রয়োজন। আমাদের মতপার্থক্য আছে। আমাদের মধ্যে বিতর্ক আছে। সেটি ঠিক আছে। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের লক্ষ্য একই থাকে, অর্থাৎ আমরা চাই শুধু এই দুই দেশের মানুষ নয়, সারা বিশ্বের মানুষ মর্যাদা, সম্মান এবং একে অপরের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিয়ে বেঁচে থাকুক। আর আমরা সেটিই অর্জনের চেষ্টা করছি। আমি আন্তরিকভাবে চাই…… আমার মূল লক্ষ্য হলো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি সোনালি সম্মতি প্রতিষ্ঠা করা।

এই লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

দুই নেতার সমান্তরাল ভূমিকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের নেতা’ বলতে গিয়ে ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষেত্রেও একই বৈশিষ্ট্য স্বীকার করেন। তাঁর মতে, দুই নেতার উদ্দেশ্য অভিন্ন এবং যখন এই দুই নেতা একসঙ্গে বসে ও পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তখন এমন কোনো সমস্যা বা ইস্যু নেই যা আলোচনা বা সমাধানের বাইরে।

দুজনই জনগণের নেতা এবং তাঁদের উদ্দেশ্যও একই। আর এ কারণেই আমি বহুবার গণমাধ্যমে, যেখানে আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, বলেছি যে এমন দুই নেতা যখন একসঙ্গে বসেন এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা বা ইস্যু নেই, যা আলোচনা করা যায় না এবং যার সমাধান করা যায় না।

নৈশভোজে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সাবেক বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বক্তব্য

এর আগে গত শনিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় ত্রিবেদী দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে অংশীদারিত্ব গভীরকরণ এবং বাংলাদেশ-ভারতের ব্যতিক্রমী বন্ধুত্বের বন্ধন আরও লালনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আমরা স্বীকার করি, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগই এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত স্পন্দিত হৃদয়।

বাণিজ্য, যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারত তাদের অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দুই দেশকে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে হাতে-হাতে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আসুন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বের এই অসাধারণ বন্ধনকেও আমরা অব্যাহতভাবে লালন করি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি।

স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক বন্ধন

সম্পর্কের ভিত্তি ব্যাখ্যা করে হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশ স্বাধীনতা সংগ্রামের অভিন্ন ইতিহাসে আবদ্ধ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তির ওপর তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের কারণে আমাদের বন্ধন গভীরভাবে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের এই দৃঢ় ভিত্তির ওপর আমাদের সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে ত্রিবেদী বলেন, তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। দুই নেতা একসঙ্গে বৈঠক করলে আলোচনা হবে — এতে তাঁর বিশ্বাস অটল। গণতন্ত্রে সমস্যা থাকবেই, সমস্যা না থাকলে সেটি গণতন্ত্র নয়। তবে জনগণের একমাত্র ইস্যু হলো ভালো সম্পর্ক — আর ভালো সম্পর্ক থাকলে সেটি সবার জন্যই উইন-উইন পরিস্থিতি।

Frequently Asked Questions

What is প রধ নমন ত র ত র?

প রধ নমন ত র ত র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does প রধ নমন ত র ত র matter?

প রধ নমন ত র ত র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment