মেটাট চার দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল
Banglajibon.com – কক সব জ র স কত পর – মেটাট চার দিনের ছুটির সুযোগ নিয়ে দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ সমুদ্রসৈকতে ছুটে এসেছেন। কক্সবাজারের পাঁচটি সৈকত—লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী, দরিয়ানগর ও ইনানী পয়েন্টে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাজারো দর্শনার্থীর পদচারণা লক্ষ্য করা গেছে। সমুদ্রস্নান, সূর্যাস্ত উপভোগ, ঘোড়ার চড়া, বিচ বাইক ও অন্যান্য বিনোদন কার্যক্রমে তারা মত্ত হয়েছেন।
শুধুমাত্র সমুদ্রসৈকত নয়, হিমছড়ি, ইনানী, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এবং কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনসহ জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানেও পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
স্থানীয় অর্থনীতিতে চাঙ্গা ভাব
পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতিতে স্থানীয় পর্যটননির্ভর অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, পর্যটন যান, ফটোগ্রাফার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দীর্ঘ বিরতির পর ব্যবসা ভালো হওয়ার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে ঢাকার তেজগাঁও এলাকা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ রিপনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন:
গতকাল বুধবার পরিবার নিয়ে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছি। বর্ষার সৈকতে ঘুরতে ভালোই লাগে। হোটেলভাড়াও কম। সব মিলিয়ে এবারের ভ্রমণ ভালো কাটছে।
রাজশাহীর বাঘা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা চাকরিজীবী আওলাদ হোসেন বলেন, আগামী শনিবার পর্যন্ত কক্সবাজারে থাকার পরিকল্পনা নিয়ে তিনি এসেছেন। তিনি আরও জানান, কক্সবাজারে পাহাড়-সমুদ্র একসঙ্গে দেখার সুযোগ রয়েছে।
৫০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী
জেলা প্রশাসনের বিচকর্মীদের সহকারী সুপারভাইজার বেলাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকতে ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক সমুদ্র দর্শনে নেমেছেন। অনেকেই মেরিন ড্রাইভ ধরে টেকনাফ পর্যন্ত ঘুরতে ভিড় করছেন।
সৈকতে গোসলে নেমে বিপদে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে কাজ করছে সি সেফ লাইফ গার্ড। লাবণী পয়েন্টে দায়িত্বরত লাইফ গার্ড সদস্য মোহাম্মদ শুক্কুর আজ বিকেলে জানান, এই সময়ে সাগর বেশ উত্তাল। এর মধ্যে সৈকতের কয়েকটি স্থানে রিপ কারেন্ট তৈরি হয়েছে। ফলে পর্যটকদের সতর্কতার সঙ্গে গোসলে নামতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
হোটেলকক্ষের বুকিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
কক্সবাজার শহর ও মেরিন ড্রাইভে পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউসে অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটকের রাত যাপনের সুবিধা রয়েছে। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম বলেন, ৮০ শতাংশ হোটেলকক্ষ বুকিং হয়েছে। পর্যটকের এই চাপ আগামী শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। সে অনুযায়ী পর্যটকদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও ছুটির কারণে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে পর্যটন খাত আরও ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, লাইফ গার্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) অহিদুর রহমান বলেন, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফির নেতৃত্বে দুপুরে কলাতলী এলাকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে দুটি ট্যুরিস্ট জিপকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং কাগজপত্র সঠিক না থাকার তিনটি জিপ জব্দ করা হয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is কক সব জ র স কত পর?
কক সব জ র স কত পর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does কক সব জ র স কত পর matter?
কক সব জ র স কত পর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
