ভালুকায় শিল্পবর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন, ৩৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
ভ ল ক য় শ ল পবর – ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা এলাকায় এক্সপেরিয়েন্স টেক্সটাইল মিল ও আরএস অ্যাগ্রোর অবৈধ ড্রেনেজ লাইনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি তুলে মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় কৃষক এবং বাসিন্দারা। কর্মসূচি উপজেলা পরিষদ চত্বরে দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ভরাডোবা এবং পাশাপাশি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী, শিল্পবর্জ্য এবং দূষিত পানি দীর্ঘ সময় ধরে কৃষিজমি, খালবিল ও জলাশয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে প্রায় ৩৩৫ একর জমির উর্বরতা হ্রাস পেয়েছে, ফসল উৎপাদন কমে গেছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য ভেঙে পড়ছে। কৃষকদের জীবন-জীবিকাও হুমকির মুখে পড়েছে।
প্রশাসনের তদন্তে ক্ষতিপূরণ সুপারিশ করা হয়েছে
প্রতিবাদ সমাবেশের পর প্রশাসনিক তদন্ত ও যাচাই-বাছাই পরিচালনার পর গত ১৫ বছরের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। ক্ষতিপূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও সমাধান পাওয়া যায়নি।
বক্তারা বলেন, তাঁরা কোনো সংঘাত চান না, তাঁরা চান ন্যায্য অধিকার ও ন্যায্য বিচার।
সমাবেশে বক্তব্য দেন নুরুল ইসলাম ফকির, শামছুদ্দিন মণ্ডল, স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাদাত হোসেন মানিক, মোহাইমিনুল ইসলাম, আবুল বাশার, মনির তালুকদারসহ আরও অনেকে। তাঁদের তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়। দাবি হলো এক্সপেরিয়েন্স টেক্সটাইল মিলের অবৈধ ড্রেনেজ লাইন কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে, ক্ষতিপূরণ আসন্ন ঈদুল আজহার আগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে পরিবেশদূষণ ও কৃষিজমি ধ্বংস রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের সঙ্গে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্ব
