Sports

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দুই রকমের অপেক্ষা

সিলেটে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দুই রকমের অপেক্ষা

স ল ট ব ল দ শ – সিলেট টেস্টে ম্যাচের প্রধান বিষয় এখন একটি শব্দ: অপেক্ষা। তৃতীয় দিনের পর স্কোরবোর্ড দেখে এই ম্যাচের ভবিষ্যত বুঝতে হয়। যদিও ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা, তবে বর্তমান পরিস্থিতি বলছে যে এই টেস্টে বাংলাদেশের কাছে দুই ধরনের অপেক্ষা রয়েছে।

এই অপেক্ষার মূল ভাগে বাংলাদেশের আশার গল্প লুকিয়ে আছে। পাকিস্তানের সম্ভাবনা বলছে যে তাদের লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়া ৪৩৭ রান করতে হবে। টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডটি বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে। পাকিস্তানের জন্য এটি এখনও বিশ্বাস করার মতো নয়।

তৃতীয় দিনের শেষে কোনো রান করা ছাড়া পাকিস্তান আজ প্রথম সেশনে প্রায় ১০১ রান করেছে। ফজল এবং আজান আওয়াইসের সমন্বিত স্কোর দেখে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। আজান আওয়াইসকে এলবিডব্লু ফাঁদে মিরাজ বলে ধরে দেয়। তখন সেটা পাকিস্তানের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়।

অস্ট্রেলিয়া ২০০৩ সালে ক্যারিবীয় দলকে নিজেদের সাফল্য বলে প্রতিষ্ঠা করেছিল। পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট ইতিহাসে অত্যন্ত কম আত্মবিশ্বাস ছিল। সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের দরকার ৮ উইকেট। তাদের প্রতিক্রমণ ঘটবে কি সম্ভব? স্বাগতিক দলের বোলিং লাইনে কিছুতে কিছু না হলে পাকিস্তানের হার ঘটবে মনে হয়।

আজান আওয়াইস ঢাকা টেস্টে অভিষেক ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। পরের তিন ইনিংসে তাঁকে হারিয়ে সিলেটে তাঁর হাতে পুনরায় বড় ইনিংস খেলার অপেক্ষা বাড়িয়েছে মিরাজ। যে দুই উইকেটে পাকিস্তান কোনো রান করতে পারেনি।

অন্যদিকে পাকিস্তানের কাছে টানা তিন টেস্টে হারের পর বাংলাদেশকে জয়ের অপেক্ষা ফুরাবে। ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলো এটি করতে পারেনি। এবার এটি হবে কি পাকিস্তানের জন্য?

আবারও বলা ভালো, বাংলাদেশের সামনে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে তা ছাড়া কোনো রান তুলে আনা কঠিন হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেকর্ডটি ভাঙতে পাকিস্তানের হার হওয়া প্রায় দুই যুগের পর বাংলাদেশের জন্য আশা বাঁকে।

Leave a Comment