Business

বাড়ছে আমভিত্তিক অর্থনীতি

Foto : Jennifer Jones - banglajibon.com
Table of Contents
  1. বাড়ছে আমভিত্তিক অর্থনীতি: উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন মাইলফলক
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

বাড়ছে আমভিত্তিক অর্থনীতি: উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন মাইলফলক Banglajibon.com – ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর – বাড়ছে আমভিত্তিক অর্থনীতি—দেশে আমের চাষের পরিধি

বাড়ছে আমভিত্তিক অর্থনীতি: উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন মাইলফলক

Banglajibon.com – ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর – বাড়ছে আমভিত্তিক অর্থনীতি—দেশে আমের চাষের পরিধি ক্রমবর্ধমান। চলতি বছর ৫ লাখ ৪ হাজার একর জমিতে এই ফলটি উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলস্বরূপ আমভিত্তিক অর্থনীতির মাত্রাও বাড়ছে। বর্তমানে দেশে আমের বাজার মূল্য প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন, মোড়কীকরণ ও পরিবহন—সব খাতেই ব্যাপক অর্থনৈতিক কার্যক্রম চলছে। লাভজনক হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা আম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। তরুণ শিক্ষিত খামারিদের উদ্যোগও এই ধারাকে ত্বরান্বিত করছে।

উন্নত জাত ও উৎপাদন বৃদ্ধি

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর যে ৫ লাখ একরের বেশি জমিতে আম চাষ হচ্ছে, তার ৬৮ শতাংশে উন্নত জাতের আম লাগানো হয়েছে। দেশে চাষ হওয়া জনপ্রিয় ও ভালো মানের জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ল্যাংড়া, হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি, গোপালভোগ, বারি-৪, আম্রপালি, হাঁড়িভাঙা ও ফজলি।

গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদন ভালো হয়েছে বলে আমচাষিরা মনে করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর ২৭ লাখ টনের বেশি আম উৎপাদন হবে। ডিএই-র তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে উৎপাদন হয়েছিল ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন এবং ২০২৫ সালে তা ২৬ লাখ ৬২ হাজার টনে পৌঁছায়। অর্থাৎ, গত তিন বছরে প্রতিবছর উৎপাদন আগের বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে।

দাম ও বাজার পরিস্থিতি

এ বছর আমের দাম নিয়ে কৃষকরা সন্তুষ্ট। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে জাত ও ধরনভেদে আম বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৮০ টাকা। পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। নওগাঁর সাপাহারের কৃষকেরা জানিয়েছেন, ভালো মানের আম্রপালি চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। বারি-৪ জাতের আম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বেশ কয়েক বছর আগেই বছরে আমের বিক্রি ১২-১৩ হাজার কোটি টাকার ঘরে উঠেছে। সে হিসাবে অঙ্কটি এবার আরও অনেক বেশি হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আমের রাজধানী

আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফলটি ঘিরে বিশাল অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। জেলার সবচেয়ে বড় আমের বাজার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট আমবাজার। এ ছাড়া শিবগঞ্জ পাকা আমবাজার, গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর আমবাজার, সদর উপজেলার সদরঘাট আমবাজার এবং ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট আমবাজারেও প্রতিদিন ব্যাপক পরিসরে আমের বেচাকেনা হয়।

বর্তমানে কানসাট ও শিবগঞ্জ পাকা আমবাজার মিলিয়ে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার আমের লেনদেন হচ্ছে। প্রতিদিন এখান থেকে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক বুলবুল আহম্মেদ বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। আমকে ঘিরে জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আকার প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা।

নওগাঁ: আমরপ্তানির কেন্দ্র

আম উৎপাদনে বর্তমানে দেশের শীর্ষ জেলাগুলোর অন্যতম নওগাঁ। আমকেন্দ্রিক অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি গড়ে উঠেছে সাপাহার, পোরশা, পত্নীতলা ও নিয়ামতপুর উপজেলায়। সাপাহারের কৃষক সোহেল রানা চলতি মৌসুমে ৭০ একর জমিতে আম চাষ করেছেন। এ বছর তাঁর চাষের আম যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, ইতালি ও আরব আমিরাতের দুবাইতে রপ্তানি করেছেন।

এ মৌসুমে তাঁর বিক্রির অঙ্ক দেড় কোটিতে উঠবে।

গত বছর নওগাঁ জেলায় আমকেন্দ্রিক বাণিজ্য হয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার। কৃষি বিভাগের আশা, চলতি মৌসুমে তা ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বলেন, এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় ভালো ফলন হয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসে চাষিরা বেশি দামে আম বিক্রি করতে পেরে লাভবান হচ্ছেন।

আম রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাজার

দেশ থেকে এ বছর ২০ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৯০০ টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর মোট রপ্তানি ২ হাজার ৩০০ টনে উঠতে পারে। এ বছর সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে প্রচুরসংখ্যক বাঙালি বসবাসকারী ইংল্যান্ডে। প্রায় ৫০০ টন। ইতালি ও সৌদি আরবে রপ্তানি হয়েছে ২৫০ টন করে। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সুইডেন, জার্মানি, মালদ্বীপ, ইতালি ও ফ্রান্সে আম রপ্তানি হয়েছে। ২০২৫ সালে ২ হাজার ১০০ টন আম রপ্তানি হয়েছিল।

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে আম রপ্তানি করা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেড লিংকের সিইও কাওসার আহমেদ রুবেল বলেন, চলতি মৌসুমে তাঁর প্রতিষ্ঠান ইউরোপের তিনটি দেশে ১০ টনের বেশি আম রপ্তানি করেছে। তবে বিমানভাড়া বেশি হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আম রপ্তানি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ঢাকার বিমানবন্দরে আম রাখার জন্য কুলিং চেম্বার না থাকায় রপ্তানি করা আমের শেলফ লাইফ কমে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডিএই-র রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের তথ্য অনুসারে, আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৮ম অবস্থানে থাকলেও রপ্তানিতে শীর্ষ দেশের মধ্যে নেই। বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ টনের বেশি আম রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া, জাপান, রাশিয়াসহ ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের নিকট প্রতিবেশী পাকিস্তান ও ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড মানসম্মত নিরাপদ আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার পর আম রপ্তানিতে শীর্ষে অবস্থান করছে।

রপ্তানিতে বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে অত্যধিক বিমানভাড়া এবং কম শেলফ লাইফ।

Frequently Asked Questions

Apa itu ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর?

ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর penting?

ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan ব ড়ছ আমভ ত ত ক অর ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment